তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ঘোষণা করেছেন যে, ফিলিস্তিন ও গাজার সংকটে তুরস্ক কখনোই নীরব থাকবে না এবং গাজাবাসীকে একাকী ফেলে রাখা হবে না। আঙ্কারায় একে পার্টির (AK Party) এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এরদোয়ান বলেন, ইসলামি ক্যালেন্ডারের আসন্ন পবিত্র তিন মাসে (রজব, শাবান ও রমজান) ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
গত ১১ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সেখানে মানবিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ায় এবং প্রচণ্ড শীতের কারণে গাজার শরণার্থী শিবিরের শিশু ও বৃদ্ধরা বর্তমানে হাইপোথার্মিয়াসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।
এরদোয়ান সরাসরি অভিযোগ করেন যে, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী গাজায় প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের কথা থাকলেও ইজরায়েল তা নানা অজুহাতে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, "ইজরায়েল মানবিক ইস্যুতেও তাদের কথা রাখছে না।" উল্লেখ্য, তুরস্ক এ পর্যন্ত ১৯টি ত্রাণবাহী জাহাজের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি গাজায় পাঠিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তার বক্তব্যে অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস টেনে বলেন, তুরস্ক সব সময় নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করেছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, তুরস্ক কেবল কথায় নয়, বরং কাজ ও প্রার্থনার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকবে। একইসঙ্গে তিনি আঞ্চলিক রাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ কৌশলের ওপর জোর দেন।
ফিলিস্তিন ইস্যুর পাশাপাশি এরদোয়ান তুরস্কের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপট নিয়েও কথা বলেন। তিনি ২০২৬ সালের জন্য নতুন সর্বনিম্ন মজুরি (Minimum Wage) ঘোষণা করেন ২৮,০৭৫ লিরা, যা গত বছরের তুলনায় ২৭% বেশি। বিরোধী দল সিএইচপি-র (CHP) সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা দেশের সমস্যার সমাধান না খুঁজে বিদেশিদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ঘোষণা করেছেন যে, ফিলিস্তিন ও গাজার সংকটে তুরস্ক কখনোই নীরব থাকবে না এবং গাজাবাসীকে একাকী ফেলে রাখা হবে না। আঙ্কারায় একে পার্টির (AK Party) এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এরদোয়ান বলেন, ইসলামি ক্যালেন্ডারের আসন্ন পবিত্র তিন মাসে (রজব, শাবান ও রমজান) ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
গত ১১ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সেখানে মানবিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ায় এবং প্রচণ্ড শীতের কারণে গাজার শরণার্থী শিবিরের শিশু ও বৃদ্ধরা বর্তমানে হাইপোথার্মিয়াসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।
এরদোয়ান সরাসরি অভিযোগ করেন যে, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী গাজায় প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের কথা থাকলেও ইজরায়েল তা নানা অজুহাতে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, "ইজরায়েল মানবিক ইস্যুতেও তাদের কথা রাখছে না।" উল্লেখ্য, তুরস্ক এ পর্যন্ত ১৯টি ত্রাণবাহী জাহাজের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি গাজায় পাঠিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তার বক্তব্যে অটোমান সাম্রাজ্যের ইতিহাস টেনে বলেন, তুরস্ক সব সময় নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করেছে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, তুরস্ক কেবল কথায় নয়, বরং কাজ ও প্রার্থনার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকবে। একইসঙ্গে তিনি আঞ্চলিক রাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ কৌশলের ওপর জোর দেন।
ফিলিস্তিন ইস্যুর পাশাপাশি এরদোয়ান তুরস্কের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপট নিয়েও কথা বলেন। তিনি ২০২৬ সালের জন্য নতুন সর্বনিম্ন মজুরি (Minimum Wage) ঘোষণা করেন ২৮,০৭৫ লিরা, যা গত বছরের তুলনায় ২৭% বেশি। বিরোধী দল সিএইচপি-র (CHP) সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা দেশের সমস্যার সমাধান না খুঁজে বিদেশিদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

আপনার মতামত লিখুন