আফগানিস্তানের খোসত এবং বলখ প্রদেশে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ও গোষ্ঠীগত শত্রুতার অবসান ঘটেছে। দেশটির সীমান্ত, জাতি ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্থতায় স্থানীয় গোত্রীয় নেতৃবৃন্দ ও ওলামাদের প্রচেষ্টায় এই দুই বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়। বছরের পর বছর ধরে চলা এই শত্রুতায় একাধিক প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদহানি ঘটলেও এখন সেখানে ফিরেছে সম্প্রীতির পরিবেশ।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খোসত প্রদেশের তানি জেলায় দুটি পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে রক্তক্ষয়ী শত্রুতা চলে আসছিল। এই দীর্ঘ সময়ে সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের দুইজন নিহত হন এবং বিশাল আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়। বিরোধটি নিরসনে খোসত প্রদেশের সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক পরিচালক মৌলভি মিয়া মুহাম্মদ ওয়ালি সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।
স্থানীয় ওলামা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই পক্ষ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ক্ষমা ঘোষণা করে। শরীয়াহভিত্তিক মীমাংসার মাধ্যমে এই দীর্ঘস্থায়ী দাঙ্গার অবসান ঘটানো হয়, যা ওই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
অন্যদিকে, বলখ প্রদেশের শিরাবাদ এলাকায় জমি সংক্রান্ত মালিকানা নিয়ে কয়েকটি পরিবারের মধ্যে গত ৩ বছর ধরে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাত চলছিল। বলখ প্রদেশের উপজাতি বিষয়ক পরিচালক মৌলভি সরদার মুহাম্মদ মোহাম্মদীর হস্তক্ষেপে গত পরশু একটি 'কওমি জারগা' বা গোত্রীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পর পক্ষগুলোর মধ্যে অধিকার বণ্টন নিশ্চিত করা হয় এবং তারা পুনরায় ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেন।
আফগান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ে এসব ছোট-বড় বিরোধ মেটানো তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার, যাতে দেশজুড়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
বিষয় : আফগানিস্তান

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের খোসত এবং বলখ প্রদেশে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ও গোষ্ঠীগত শত্রুতার অবসান ঘটেছে। দেশটির সীমান্ত, জাতি ও উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যস্থতায় স্থানীয় গোত্রীয় নেতৃবৃন্দ ও ওলামাদের প্রচেষ্টায় এই দুই বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা হয়। বছরের পর বছর ধরে চলা এই শত্রুতায় একাধিক প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদহানি ঘটলেও এখন সেখানে ফিরেছে সম্প্রীতির পরিবেশ।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খোসত প্রদেশের তানি জেলায় দুটি পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে রক্তক্ষয়ী শত্রুতা চলে আসছিল। এই দীর্ঘ সময়ে সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের দুইজন নিহত হন এবং বিশাল আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়। বিরোধটি নিরসনে খোসত প্রদেশের সীমান্ত ও উপজাতি বিষয়ক পরিচালক মৌলভি মিয়া মুহাম্মদ ওয়ালি সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়।
স্থানীয় ওলামা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই পক্ষ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ক্ষমা ঘোষণা করে। শরীয়াহভিত্তিক মীমাংসার মাধ্যমে এই দীর্ঘস্থায়ী দাঙ্গার অবসান ঘটানো হয়, যা ওই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
অন্যদিকে, বলখ প্রদেশের শিরাবাদ এলাকায় জমি সংক্রান্ত মালিকানা নিয়ে কয়েকটি পরিবারের মধ্যে গত ৩ বছর ধরে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাত চলছিল। বলখ প্রদেশের উপজাতি বিষয়ক পরিচালক মৌলভি সরদার মুহাম্মদ মোহাম্মদীর হস্তক্ষেপে গত পরশু একটি 'কওমি জারগা' বা গোত্রীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পর পক্ষগুলোর মধ্যে অধিকার বণ্টন নিশ্চিত করা হয় এবং তারা পুনরায় ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অঙ্গীকার করেন।
আফগান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় পর্যায়ে এসব ছোট-বড় বিরোধ মেটানো তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার, যাতে দেশজুড়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

আপনার মতামত লিখুন