ইরান থেকে ছোঁড়া শক্তিশালী মিসাইল হামলায় বৃহস্পতিবার কেঁপে উঠেছে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল। দুই দফায় চালানো এই হামলায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তেল আবিব ও জেরুজালেমসহ বড় শহরগুলোতে সারাদিন ধরে সাইরেন বেজেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম 'ইয়েদিওত আহরোনত'-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরান থেকে ছোঁড়া মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ এবং সরাসরি আঘাতে মধ্য ইসরায়েলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেরুজালেম, গুশ দান (বৃহত্তর তেল আবিব), শ্যারন এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেশ কিছু বসতিতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।
হামলায় আহত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনই কাফর কাসেম শহরের বাসিন্দা। ষষ্ঠ ব্যক্তি পশ্চিম তীরের শ্যার শমরন বসতির বাসিন্দা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান থেকে দুই দফায় টানা মিসাইল ছোঁড়া হয়। এর মধ্যে একটি হামলায় 'ক্লাস্টার মিসাইল' বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমটি। এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মিসাইলগুলো আঘাত হানার পর একটি বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আশেপাশের রাস্তায় গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়।
শুধু মধ্যাঞ্চল নয়, উত্তর ইসরায়েলের গ্যালিলি এলাকার আল-মানারা এবং মার্গালিট অঞ্চলেও রকেট হামলার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ইরানের এই পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বেশ কিছু মিসাইল প্রতিহত করার দাবি করলেও, জনবহুল এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
বিষয় : ইসরায়েল

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরান থেকে ছোঁড়া শক্তিশালী মিসাইল হামলায় বৃহস্পতিবার কেঁপে উঠেছে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল। দুই দফায় চালানো এই হামলায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন এবং বেশ কিছু ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তেল আবিব ও জেরুজালেমসহ বড় শহরগুলোতে সারাদিন ধরে সাইরেন বেজেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম 'ইয়েদিওত আহরোনত'-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরান থেকে ছোঁড়া মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ এবং সরাসরি আঘাতে মধ্য ইসরায়েলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেরুজালেম, গুশ দান (বৃহত্তর তেল আবিব), শ্যারন এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেশ কিছু বসতিতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।
হামলায় আহত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনই কাফর কাসেম শহরের বাসিন্দা। ষষ্ঠ ব্যক্তি পশ্চিম তীরের শ্যার শমরন বসতির বাসিন্দা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান থেকে দুই দফায় টানা মিসাইল ছোঁড়া হয়। এর মধ্যে একটি হামলায় 'ক্লাস্টার মিসাইল' বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমটি। এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মিসাইলগুলো আঘাত হানার পর একটি বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আশেপাশের রাস্তায় গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়।
শুধু মধ্যাঞ্চল নয়, উত্তর ইসরায়েলের গ্যালিলি এলাকার আল-মানারা এবং মার্গালিট অঞ্চলেও রকেট হামলার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। ইরানের এই পাল্টা হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বেশ কিছু মিসাইল প্রতিহত করার দাবি করলেও, জনবহুল এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহতাকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন