বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
কওমী টাইমস

প্যারিসে ইসলাম গ্রহণ থেকে শুরু করে জাপানি মুসলিম সমাজের বাতিঘর হয়ে ওঠার এক অনুপ্রেরণামূলক জীবনগাথা। ক্যানসারের সাথে লড়াই করেও শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত চালিয়ে গেছেন দ্বীনের দাওয়াত ও অনুবাদ কর্ম

জাপানি ভাষায় তাফসীর অনুবাদের অগ্রদূত: ইসলামের আলো ছড়ানো মহীয়সী নারী খাওলা নাকাতা



জাপানি ভাষায় তাফসীর অনুবাদের অগ্রদূত: ইসলামের আলো ছড়ানো মহীয়সী নারী খাওলা নাকাতা

জাপানের শিজুওকা শহরে জন্ম নেওয়া এবং কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্যের মেধাবী শিক্ষার্থী কাওরি নাকাতা। ১৯৯০ সালে ফ্রান্সে এক সফরকালে মসজিদের মিনার আর ইসলামের সুমহান আদর্শ তার জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ১৯৯১ সালে ইসলাম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন 'খাওলা'। এরপর থেকে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন জাপানি ভাষায় ইসলামের মূল উৎস ও পবিত্র কুরআনের তাফসীর পৌঁছে দেওয়ার মহান ব্রতে। গত ২০০৮ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করলেও জাপানি মুসলিম সমাজে তার রেখে যাওয়া ইলমি ও দাওয়াতি উত্তরাধিকার আজও সমাদৃত।

জাপানের দূরপ্রাচ্যে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যে ক'জন মানুষের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তাদের মধ্যে অন্যতম এক মহীয়সী নারী খাওলা নাকাতা কাওরি। তিনি কেবল একজন অনুবাদকই ছিলেন না, বরং জাপানি সমাজে ইসলামের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক প্রচারের এক মজবুত ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন।

সাহিত্য অনুরাগী থেকে ইলমের সন্ধানে

১৯৬১ সালে জাপানে জন্মগ্রহণকারী কাওরি নাকাতা ছিলেন কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য অনুষদের গ্র্যাজুয়েট। ফরাসি দার্শনিক ও লেখক আলবেয়ার কামুর সাহিত্যকর্মের ওপর তার স্নাতক থিসিস সম্পন্ন করেছিলেন। পাশ্চাত্য চিন্তা ও সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করার সময় ১৯৯০ সালে তিনি ফ্রান্সে যান। সেখানে একটি মসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে ইসলামের সাথে তার প্রথম চাক্ষুষ পরিচয় ঘটে। গভীর অনুসন্ধান ও আত্মিক টান শেষে ১৯৯১ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে 'খাওলা' নাম ধারণ করেন।

এই সিদ্ধান্ত কেবল তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের পরিবর্তন ছিল না, বরং এটি ছিল একটি দীর্ঘ ইলমি সফরের সূচনা। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি পবিত্র কুরআনের ভাষা আরবি এবং দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের জন্য মিসর পাড়ি জমান। পরবর্তীকালে তিনি সিরিয়া এবং সৌদি আরবেও উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। কুরআন শিক্ষা, তাফসীর, কিরাত এবং তাসাউফ (আধ্যাত্মিকতা) শাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করে তিনি প্রথাগত ইসলামী জ্ঞানে বিশেষজ্ঞ হওয়া প্রথম জাপানি মুসলিম নারীদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পান।

জাপানি মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও সামাজিক জাগরণ

শিক্ষা সমাপন শেষে খাওলা নাকাতা জাপানে ফিরে আসেন এবং শিক্ষা ও দাওয়াতি কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ইয়ামাগুচি প্রিফেকচারাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের চেয়েও জাপানি নবদীক্ষিত মুসলিম নারীদের দ্বীনি শিক্ষার বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছিল।

তিনি নিয়মিত দ্বীনি শিক্ষা সার্কেল বা 'হালকা'র আয়োজন করতেন। এর মাধ্যমে জাপানের তৎকালীন ছোট ও উদীয়মান মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি এবং গভীর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে।

জাপানি ভাষায় প্রথম তাফসীর অনুবাদ

খাওলা নাকাতার জীবনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসলামের মৌলিক উৎসগুলোকে জাপানি পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য করা। এই ধারাবাহিকতায় তিনি কুরআনের প্রসিদ্ধ তাফসীরগ্রন্থ 'তাফসীরুল জালালাইন'-এর জাপানি অনুবাদে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এটিই ছিল জাপানি ভাষায় প্রকাশিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রসিদ্ধ তাফসীর কর্ম।

এছাড়াও তিনি আরবি-জাপানি তুলনামূলক কুরআন প্রকল্পে কাজ করেছিলেন। সাধারণ জাপানিদের জন্য অত্যন্ত সহজ ভাষায় রচনা করেছিলেন ‘আল্লাহর পরিচয়’ (Introduction to Allah) নামক আকিদা বিষয়ক বিখ্যাত বই। জাপানি মুসলিমদের মুখপত্র ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তিনি 'মুসলিম শিনবুন' (Muslim Newspaper) নামক একটি পত্রিকা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, যা জাপানি মুসলিমদের বৈশ্বিক ইসলামী সংস্কৃতির সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দ্বীনের খিদমত

খাওলা নাকাতার জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছে স্তন ক্যানসারের তীব্র যন্ত্রণার সাথে লড়াই করে। পরবর্তীতে ক্যানসার তার মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়লেও তিনি দমে যাননি। এই কঠিন অসুস্থতাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে আধ্যাত্মিক পরীক্ষা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন তিনি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও শেষ দিন পর্যন্ত কলম থামাননি, চালিয়ে গেছেন অনুবাদ ও লেখালেখির কাজ।

২০০৮ সালের ১৬ আগস্ট, মাত্র ৪৭ বছর বয়সে এই মহান বিদুষী নারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু জাপানি ভাষায় পবিত্র কুরআনের বাণী এবং দ্বীনের যে মায়াবী আলো তিনি জ্বেলে দিয়ে গেছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত জাপানের বুকে সত্যের পথ দেখাবে।

বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে জাপানে ইসলামের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়তে শুরু করলেও জাপানি ভাষায় নির্ভরযোগ্য ইসলামি গ্রন্থের চরম সংকট ছিল। খাওলা নাকাশমা এমন একটি সময়ে কাজ শুরু করেছিলেন যখন জাপানি সমাজে পশ্চিমা জীবনদর্শনের প্রবল প্রভাব ছিল, যার ফলে তাঁর ফরাসি সাহিত্য থেকে ইসলামি দর্শনে রূপান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

খাওলা নাকাশমা কাওরির জীবন প্রমাণ করে যে, মেধা ও সঠিক ইচ্ছাশক্তি থাকলে ভাষার প্রাচীর ভেঙে ইসলামের সার্বজনীন বার্তা যেকোনো সংস্কৃতিতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। মৃত্যুর প্রায় দুই দশক পরেও তাঁর কাজ জাপানি মুসলিমদের আলোর দিশা দেখাচ্ছে।

বিষয় : জাপান

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


জাপানি ভাষায় তাফসীর অনুবাদের অগ্রদূত: ইসলামের আলো ছড়ানো মহীয়সী নারী খাওলা নাকাতা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

জাপানের শিজুওকা শহরে জন্ম নেওয়া এবং কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্যের মেধাবী শিক্ষার্থী কাওরি নাকাতা। ১৯৯০ সালে ফ্রান্সে এক সফরকালে মসজিদের মিনার আর ইসলামের সুমহান আদর্শ তার জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ১৯৯১ সালে ইসলাম গ্রহণ করে নিজের নাম রাখেন 'খাওলা'। এরপর থেকে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন জাপানি ভাষায় ইসলামের মূল উৎস ও পবিত্র কুরআনের তাফসীর পৌঁছে দেওয়ার মহান ব্রতে। গত ২০০৮ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করলেও জাপানি মুসলিম সমাজে তার রেখে যাওয়া ইলমি ও দাওয়াতি উত্তরাধিকার আজও সমাদৃত।

জাপানের দূরপ্রাচ্যে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যে ক'জন মানুষের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, তাদের মধ্যে অন্যতম এক মহীয়সী নারী খাওলা নাকাতা কাওরি। তিনি কেবল একজন অনুবাদকই ছিলেন না, বরং জাপানি সমাজে ইসলামের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক প্রচারের এক মজবুত ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন।

সাহিত্য অনুরাগী থেকে ইলমের সন্ধানে

১৯৬১ সালে জাপানে জন্মগ্রহণকারী কাওরি নাকাতা ছিলেন কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য অনুষদের গ্র্যাজুয়েট। ফরাসি দার্শনিক ও লেখক আলবেয়ার কামুর সাহিত্যকর্মের ওপর তার স্নাতক থিসিস সম্পন্ন করেছিলেন। পাশ্চাত্য চিন্তা ও সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করার সময় ১৯৯০ সালে তিনি ফ্রান্সে যান। সেখানে একটি মসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে ইসলামের সাথে তার প্রথম চাক্ষুষ পরিচয় ঘটে। গভীর অনুসন্ধান ও আত্মিক টান শেষে ১৯৯১ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে 'খাওলা' নাম ধারণ করেন।

এই সিদ্ধান্ত কেবল তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের পরিবর্তন ছিল না, বরং এটি ছিল একটি দীর্ঘ ইলমি সফরের সূচনা। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি পবিত্র কুরআনের ভাষা আরবি এবং দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের জন্য মিসর পাড়ি জমান। পরবর্তীকালে তিনি সিরিয়া এবং সৌদি আরবেও উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। কুরআন শিক্ষা, তাফসীর, কিরাত এবং তাসাউফ (আধ্যাত্মিকতা) শাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করে তিনি প্রথাগত ইসলামী জ্ঞানে বিশেষজ্ঞ হওয়া প্রথম জাপানি মুসলিম নারীদের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পান।

জাপানি মুসলিম নারীদের শিক্ষা ও সামাজিক জাগরণ

শিক্ষা সমাপন শেষে খাওলা নাকাতা জাপানে ফিরে আসেন এবং শিক্ষা ও দাওয়াতি কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ইয়ামাগুচি প্রিফেকচারাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের চেয়েও জাপানি নবদীক্ষিত মুসলিম নারীদের দ্বীনি শিক্ষার বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছিল।

তিনি নিয়মিত দ্বীনি শিক্ষা সার্কেল বা 'হালকা'র আয়োজন করতেন। এর মাধ্যমে জাপানের তৎকালীন ছোট ও উদীয়মান মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি এবং গভীর নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে।

জাপানি ভাষায় প্রথম তাফসীর অনুবাদ

খাওলা নাকাতার জীবনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসলামের মৌলিক উৎসগুলোকে জাপানি পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য করা। এই ধারাবাহিকতায় তিনি কুরআনের প্রসিদ্ধ তাফসীরগ্রন্থ 'তাফসীরুল জালালাইন'-এর জাপানি অনুবাদে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এটিই ছিল জাপানি ভাষায় প্রকাশিত প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রসিদ্ধ তাফসীর কর্ম।

এছাড়াও তিনি আরবি-জাপানি তুলনামূলক কুরআন প্রকল্পে কাজ করেছিলেন। সাধারণ জাপানিদের জন্য অত্যন্ত সহজ ভাষায় রচনা করেছিলেন ‘আল্লাহর পরিচয়’ (Introduction to Allah) নামক আকিদা বিষয়ক বিখ্যাত বই। জাপানি মুসলিমদের মুখপত্র ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তিনি 'মুসলিম শিনবুন' (Muslim Newspaper) নামক একটি পত্রিকা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, যা জাপানি মুসলিমদের বৈশ্বিক ইসলামী সংস্কৃতির সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত দ্বীনের খিদমত

খাওলা নাকাতার জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছে স্তন ক্যানসারের তীব্র যন্ত্রণার সাথে লড়াই করে। পরবর্তীতে ক্যানসার তার মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়লেও তিনি দমে যাননি। এই কঠিন অসুস্থতাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে আধ্যাত্মিক পরীক্ষা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন তিনি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েও শেষ দিন পর্যন্ত কলম থামাননি, চালিয়ে গেছেন অনুবাদ ও লেখালেখির কাজ।

২০০৮ সালের ১৬ আগস্ট, মাত্র ৪৭ বছর বয়সে এই মহান বিদুষী নারী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু জাপানি ভাষায় পবিত্র কুরআনের বাণী এবং দ্বীনের যে মায়াবী আলো তিনি জ্বেলে দিয়ে গেছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত জাপানের বুকে সত্যের পথ দেখাবে।

বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে জাপানে ইসলামের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়তে শুরু করলেও জাপানি ভাষায় নির্ভরযোগ্য ইসলামি গ্রন্থের চরম সংকট ছিল। খাওলা নাকাশমা এমন একটি সময়ে কাজ শুরু করেছিলেন যখন জাপানি সমাজে পশ্চিমা জীবনদর্শনের প্রবল প্রভাব ছিল, যার ফলে তাঁর ফরাসি সাহিত্য থেকে ইসলামি দর্শনে রূপান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

খাওলা নাকাশমা কাওরির জীবন প্রমাণ করে যে, মেধা ও সঠিক ইচ্ছাশক্তি থাকলে ভাষার প্রাচীর ভেঙে ইসলামের সার্বজনীন বার্তা যেকোনো সংস্কৃতিতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। মৃত্যুর প্রায় দুই দশক পরেও তাঁর কাজ জাপানি মুসলিমদের আলোর দিশা দেখাচ্ছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ