শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

সহিংসতা ও সংঘাতের বদলে শান্তি ও সহনশীলতার বার্তা; প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান

কাঠমান্ডুতে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির আহ্বানে নেপালি কংগ্রেসের র‍্যালি



কাঠমান্ডুতে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির আহ্বানে নেপালি কংগ্রেসের র‍্যালি
- হাফিজুর রহমান

নেপালের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন রাজধানীতে যৌথভাবে একটি শান্তি ও সম্প্রীতি র‍্যালি আয়োজন করেছে। শনিবার (১ আগস্ট) কাঠমান্ডুর প্রদর্শনী মার্গে (Exhibition Road) এই বিক্ষোভ ও সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় ও সামাজিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় ও জাতিগত সহনশীলতা বজায় রাখা এবং সামাজিক শান্তি সুসংহত করার দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কওমি টাইমস: দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সামাজিক মেরুকরণ ও জাতিগত উত্তেজনার পটভূমিতে নেপালের রাজধানীতে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রাজপথে নেমেছে দেশটির অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের সহযোগী সংগঠনগুলো।

শনিবার (১ আগস্ট) কাঠমান্ডুর প্রাণকেন্দ্র প্রদর্শনী মার্গে (Exhibition Road) একটি বিশাল সম্প্রীতি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেপালি কংগ্রেসের ছাত্র, যুব ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বর্ণাঢ্য প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল—

  • "ক্ষোভ ত্যাগ করুন, করুণা বেছে নিন" (Abandon Anger, Choose Compassion)
  • "একে অপরকে পরাভূত করার চেষ্টা না করে, বোঝার চেষ্টা করুন" (Try to Understand Each Other, Not to Overcome Each Other)
  • "সংঘাত নয়, সম্প্রীতির পথ বেছে নিন" (Choose Harmony, Not Conflict)

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বহুজাতি ও বহুধর্মীয় দেশ নেপালে শত শত বছর ধরে বজায় থাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো অপশক্তি যেন উগ্রতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেশের শান্তি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার বিঘ্নিত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

একই সঙ্গে র‍্যালি থেকে নেপালের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি দেশের প্রতিটি নাগরিক ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জোর দাবি জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় চরমপন্থা ও হিন্দুত্ববাদী উগ্রতার প্রভাবে যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে এ ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।

বিষয় : নেপাল

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬


কাঠমান্ডুতে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির আহ্বানে নেপালি কংগ্রেসের র‍্যালি

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেপালের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন রাজধানীতে যৌথভাবে একটি শান্তি ও সম্প্রীতি র‍্যালি আয়োজন করেছে। শনিবার (১ আগস্ট) কাঠমান্ডুর প্রদর্শনী মার্গে (Exhibition Road) এই বিক্ষোভ ও সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় ও সামাজিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় ও জাতিগত সহনশীলতা বজায় রাখা এবং সামাজিক শান্তি সুসংহত করার দাবিতে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, কওমি টাইমস: দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান সামাজিক মেরুকরণ ও জাতিগত উত্তেজনার পটভূমিতে নেপালের রাজধানীতে ধর্মীয় সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রাজপথে নেমেছে দেশটির অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের সহযোগী সংগঠনগুলো।

শনিবার (১ আগস্ট) কাঠমান্ডুর প্রাণকেন্দ্র প্রদর্শনী মার্গে (Exhibition Road) একটি বিশাল সম্প্রীতি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেপালি কংগ্রেসের ছাত্র, যুব ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বর্ণাঢ্য প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল—

  • "ক্ষোভ ত্যাগ করুন, করুণা বেছে নিন" (Abandon Anger, Choose Compassion)
  • "একে অপরকে পরাভূত করার চেষ্টা না করে, বোঝার চেষ্টা করুন" (Try to Understand Each Other, Not to Overcome Each Other)
  • "সংঘাত নয়, সম্প্রীতির পথ বেছে নিন" (Choose Harmony, Not Conflict)

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বহুজাতি ও বহুধর্মীয় দেশ নেপালে শত শত বছর ধরে বজায় থাকা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কোনো অপশক্তি যেন উগ্রতা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেশের শান্তি ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার বিঘ্নিত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

একই সঙ্গে র‍্যালি থেকে নেপালের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি দেশের প্রতিটি নাগরিক ও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জোর দাবি জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় চরমপন্থা ও হিন্দুত্ববাদী উগ্রতার প্রভাবে যে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে এ ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ