বিশ্বের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও জ্বালানি পরিবহনের জলপথ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে জোরদার করার লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষপ গ্রহণ করেছে ইরান।
ইসরায়েলকে সাথে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযান চূড়ান্ত সামরিক ও কৌশলগত সংকটের মুখে পড়েছে।
ইরানি পার্লামেন্টের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও কাউন্সিল কমিটির মুখপাত্র ওয়ালিউল্লাহ বায়াতী তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, ‘হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা এবং অগ্রগতি নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার সাধারণ রূপরেখা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। এই খসড়া আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান কর্তৃক ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে চিহ্নিত অন্যান্য দেশের সামরিক ও বেসামরিক জলযান এবং যন্ত্রপাতির হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হবে। বায়াতী স্পষ্ট ভাষায় জানান, "এসব শত্রু রাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীকে ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এবং ইরানি জনগণের ওপর চরম অন্যায় চাপিয়ে দিয়েছে।"
আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বাস্তবেও জলপথটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌশাখা। আইআরজিসি নেভির রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ওজমাই অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছেন, "হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। এই প্রণালীতে প্রতিটি নৌযানের যাতায়াতের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ শতভাগ ও চূড়ান্ত। মার্কিন কর্মকর্তাদের অসার বিবৃতি ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কান না দিয়ে ময়দানের বাস্তব সত্য দেখা উচিত।" মেরিন ট্র্যাকিং সংস্থা ‘কিপলার’-এর তথ্যেও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে এবং কেবল ইরানের অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারছে।
এদিকে সামরিক ক্ষেত্রে ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়ে আবারও অর্থনৈতিক শাস্তির হুমকি দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা জবাব হিসেবে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার বিকল্প জোরদার করছে তেহরান।
অপরদিকে, দীর্ঘায়িত যুদ্ধের খেসারত দিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও জ্বালানি পরিবহনের জলপথ হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিকভাবে জোরদার করার লক্ষ্যে এক বড় পদক্ষপ গ্রহণ করেছে ইরান।
ইসরায়েলকে সাথে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযান চূড়ান্ত সামরিক ও কৌশলগত সংকটের মুখে পড়েছে।
ইরানি পার্লামেন্টের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও কাউন্সিল কমিটির মুখপাত্র ওয়ালিউল্লাহ বায়াতী তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, ‘হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা এবং অগ্রগতি নিশ্চিতকরণ’ শীর্ষক কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার সাধারণ রূপরেখা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে। এই খসড়া আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান কর্তৃক ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে চিহ্নিত অন্যান্য দেশের সামরিক ও বেসামরিক জলযান এবং যন্ত্রপাতির হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হবে। বায়াতী স্পষ্ট ভাষায় জানান, "এসব শত্রু রাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীকে ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে এবং ইরানি জনগণের ওপর চরম অন্যায় চাপিয়ে দিয়েছে।"
আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বাস্তবেও জলপথটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌশাখা। আইআরজিসি নেভির রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী ওজমাই অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছেন, "হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। এই প্রণালীতে প্রতিটি নৌযানের যাতায়াতের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ শতভাগ ও চূড়ান্ত। মার্কিন কর্মকর্তাদের অসার বিবৃতি ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কান না দিয়ে ময়দানের বাস্তব সত্য দেখা উচিত।" মেরিন ট্র্যাকিং সংস্থা ‘কিপলার’-এর তথ্যেও নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল স্বাভাবিকের তুলনায় অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে এবং কেবল ইরানের অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজগুলোই যাতায়াত করতে পারছে।
এদিকে সামরিক ক্ষেত্রে ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়ে আবারও অর্থনৈতিক শাস্তির হুমকি দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা জবাব হিসেবে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার বিকল্প জোরদার করছে তেহরান।
অপরদিকে, দীর্ঘায়িত যুদ্ধের খেসারত দিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন