ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলা। জনৈক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীর ওপর হওয়া জঘন্য নির্যাতনের বিচার চেয়ে বিশাল প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয়েছেন শত শত মুসলিম মহিলা। 'একতা সংগঠন'-এর ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ থেকে অপরাধীদের দ্রুত ফাঁসি এবং নেপথ্যের মদতদাতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের নাসিক ও অহল্যানগর এলাকায় সম্প্রতি এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীর ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা পুরো দেশকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথাকথিত 'ভণ্ড বাবা' এবং অশোক খরাতের মতো ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবিতে এবার গর্জে উঠেছে জলগাঁওয়ের মুসলিম সমাজ।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে জলগাঁও জেলা কালেক্টর অফিসের সামনে কয়েকশ মুসলিম মহিলা সমবেত হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানান, "অন্যায় ও অত্যাচারের কোনো ধর্ম হয় না।" হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা স্লোগান দেন— "একতা জিন্দাবাদ, জুলুম মুর্দাবাদ" এবং "ধর্মের চেয়ে ন্যায়বিচার বড়"।
বিক্ষোভকারীদের নেতৃত্বদানকারী 'একতা সংগঠন'-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনৈক ভণ্ড বাবা এবং তার সহযোগীরা যেভাবে মানবতার মস্তক নত করেছে, তার একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি। আন্দোলনকারী মহিলারা দাবি করেন, যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে বা প্রভাব খাটিয়ে এই অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও যেন প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
বিক্ষোভ শেষে আলিমা নাজিয়া শেখের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা উপ-কালেক্টর বৈশালী চৌহানের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। সেখানে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে মামলা চালানোর আবেদন জানানো হয়েছে। যখন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভেদের খবর পাওয়া যাচ্ছে, তখন জলগাঁওয়ে হিন্দু বোনের জন্য মুসলিম বোনেদের এই লড়াই সামাজিক ঐক্যের এক শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে।
বিষয় : ভারত

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলা। জনৈক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীর ওপর হওয়া জঘন্য নির্যাতনের বিচার চেয়ে বিশাল প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয়েছেন শত শত মুসলিম মহিলা। 'একতা সংগঠন'-এর ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ থেকে অপরাধীদের দ্রুত ফাঁসি এবং নেপথ্যের মদতদাতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।
মহারাষ্ট্রের নাসিক ও অহল্যানগর এলাকায় সম্প্রতি এক নাবালিকা হিন্দু কিশোরীর ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা পুরো দেশকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত তথাকথিত 'ভণ্ড বাবা' এবং অশোক খরাতের মতো ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবিতে এবার গর্জে উঠেছে জলগাঁওয়ের মুসলিম সমাজ।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে জলগাঁও জেলা কালেক্টর অফিসের সামনে কয়েকশ মুসলিম মহিলা সমবেত হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানান, "অন্যায় ও অত্যাচারের কোনো ধর্ম হয় না।" হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা স্লোগান দেন— "একতা জিন্দাবাদ, জুলুম মুর্দাবাদ" এবং "ধর্মের চেয়ে ন্যায়বিচার বড়"।
বিক্ষোভকারীদের নেতৃত্বদানকারী 'একতা সংগঠন'-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনৈক ভণ্ড বাবা এবং তার সহযোগীরা যেভাবে মানবতার মস্তক নত করেছে, তার একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত ফাঁসি। আন্দোলনকারী মহিলারা দাবি করেন, যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে বা প্রভাব খাটিয়ে এই অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধেও যেন প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
বিক্ষোভ শেষে আলিমা নাজিয়া শেখের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা উপ-কালেক্টর বৈশালী চৌহানের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। সেখানে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে মামলা চালানোর আবেদন জানানো হয়েছে। যখন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিভেদের খবর পাওয়া যাচ্ছে, তখন জলগাঁওয়ে হিন্দু বোনের জন্য মুসলিম বোনেদের এই লড়াই সামাজিক ঐক্যের এক শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন