শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্রীণসিটি সংলগ্ন এলাকায় ভুল লেনে আসা ট্যাঙ্কারের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল গ্রিন এক্সপ্রেস; আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে একজনকে।

ঈশ্বরদীতে এলপিজি ট্যাঙ্কার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: ১৫ যাত্রী আহত, গুরুতর ১



ঈশ্বরদীতে এলপিজি ট্যাঙ্কার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: ১৫ যাত্রী আহত, গুরুতর ১

পাবনার ঈশ্বরদীতে এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কার ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। ১৪ আগস্ট শুক্রবার সকালে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর এলাকা সংলগ্ন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক 'গ্রীণসিটি'র কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও ট্যাঙ্কারের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় এলপিজিবাহী একটি ট্যাঙ্কার ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা গ্রীণসিটি সংলগ্ন সড়কে এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার শৈলকূপা অঞ্চল থেকে যাত্রী সাধারণকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল 'গ্রিন এক্সপ্রেস' নামের একটি দূরপাল্লার বাস। বাসটি ঈশ্বরদীর নতুনহাট গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ভুল লেনে আসা একটি এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বিকট শব্দে বাস ও ট্যাঙ্কার দুটিরই সামনের অংশ পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় আশপাশের লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাসে আটকে পড়া ৬ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ যাত্রীকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল জানান, হাসপাতালে আনা ১৫ জন আহত যাত্রীর মধ্যে একজনের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। বাকি আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ শেষে ঈশ্বরদী হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার সুযোগ নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারের চালক ও তার সহযোগী (হেলপার) তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করে। বাসচালক রুবেল হোসেন জানান, নিজ লেনে থাকা সত্ত্বেও বিপরীত মুখ থেকে হুট করে ভুল লেনে চলে আসা এলপিজি ট্যাঙ্কারটির বেপরোয়া গতির কারণেই দুর্ঘটনাটি এড়ানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাকশী হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. নান্নু খান জানান, প্রাথমিক তদন্তে এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারটির ভুল লেনে যাতায়াতকেই দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাস ও এলপিজি ট্যাঙ্কার দুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চালক ও হেলপারকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয় : পথ দুর্ঘটনা ঈশ্বরদী পাবনা

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬


ঈশ্বরদীতে এলপিজি ট্যাঙ্কার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ: ১৫ যাত্রী আহত, গুরুতর ১

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কার ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। ১৪ আগস্ট শুক্রবার সকালে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর এলাকা সংলগ্ন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক 'গ্রীণসিটি'র কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও ট্যাঙ্কারের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় এলপিজিবাহী একটি ট্যাঙ্কার ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোলচত্বর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক এলাকা গ্রীণসিটি সংলগ্ন সড়কে এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার শৈলকূপা অঞ্চল থেকে যাত্রী সাধারণকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল 'গ্রিন এক্সপ্রেস' নামের একটি দূরপাল্লার বাস। বাসটি ঈশ্বরদীর নতুনহাট গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ভুল লেনে আসা একটি এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বিকট শব্দে বাস ও ট্যাঙ্কার দুটিরই সামনের অংশ পুরোপুরি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় আশপাশের লোকজন ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাসে আটকে পড়া ৬ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ যাত্রীকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল জানান, হাসপাতালে আনা ১৫ জন আহত যাত্রীর মধ্যে একজনের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। বাকি আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ শেষে ঈশ্বরদী হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার সুযোগ নিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারের চালক ও তার সহযোগী (হেলপার) তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করে। বাসচালক রুবেল হোসেন জানান, নিজ লেনে থাকা সত্ত্বেও বিপরীত মুখ থেকে হুট করে ভুল লেনে চলে আসা এলপিজি ট্যাঙ্কারটির বেপরোয়া গতির কারণেই দুর্ঘটনাটি এড়ানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাকশী হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. নান্নু খান জানান, প্রাথমিক তদন্তে এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কারটির ভুল লেনে যাতায়াতকেই দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাস ও এলপিজি ট্যাঙ্কার দুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। চালক ও হেলপারকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনাসহ প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ