ফ্যাসিবাদের পতনের পর বিপুল প্রত্যাশা ও দায়িত্ব নিয়ে আসা বর্তমান সরকার ১৮০ দিন পার করলেও আশাজাগানিয়া কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। ১৪ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ভাটারা এলাকার আস-সাঈদ মিলনায়তনে আয়োজিত ঢাকা মহানগর উত্তরের বিশেষ শূরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী জাতীয় প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার চরম উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ১৮০ দিন অতিক্রান্ত হলেও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের কোনো উল্লেখযোগ্য বা আশাজাগানিয়া পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ২টায় রাজধানী ঢাকার উত্তর বাড্ডার ভাটারা সংলগ্ন আস-সাঈদ মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদের পতনের পর কোটি মানুষের অগণিত প্রত্যাশা জাগিয়ে এবং ঐতিহাসিক দায় নিয়ে এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস বা ১৮০ দিন পার হয়ে গেলেও তারা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”
বিশেষ করে ঐতিহাসিক জুলাই সনদের অঙ্গীকারগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যে ১৮০ দিনের সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা ছিল, তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে উচ্চকক্ষ গঠনের যে বাধ্যতামূলক সময়সীমা নির্ধারিত ছিল, সেটিও মান্য করা হয়নি। সরকারের এই ধরনের ঢিলেঢালা ভাব জনরায়ের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা ও অবজ্ঞার শামিল।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই শূরা অধিবেশনে সংগঠনের আরও বহু কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতা বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী ও কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার। এছাড়া অন্যান্য নেতৃবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, মুফতি অলিউল্লাহ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা আল মামুন মনির, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মাছউদুর রহমান, শ্রমিক নেতা আলহাজ্ব আমীরুল হক, মাহবুব ইসলাম, যুবনেতা হাফেজ ইকবাল, মুফতি নিজাম উদ্দিন, ডাক্তার মোঃ মুজিবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার আলহাজ্ব আমিনুল হক তালুকদার, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন, মুফতি মুস্তাকিম বিল্লাহ, রাকিবুল ইসলাম ও মুহাম্মদ নাজমুল হাসান প্রমুখ। বক্তারা প্রত্যেকেই দেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুততম সময়ে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ফ্যাসিবাদের পতনের পর বিপুল প্রত্যাশা ও দায়িত্ব নিয়ে আসা বর্তমান সরকার ১৮০ দিন পার করলেও আশাজাগানিয়া কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। ১৪ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ভাটারা এলাকার আস-সাঈদ মিলনায়তনে আয়োজিত ঢাকা মহানগর উত্তরের বিশেষ শূরা অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জুলাই বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী জাতীয় প্রত্যাশা পূরণে বর্তমান সরকার চরম উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ১৮০ দিন অতিক্রান্ত হলেও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের কোনো উল্লেখযোগ্য বা আশাজাগানিয়া পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ২টায় রাজধানী ঢাকার উত্তর বাড্ডার ভাটারা সংলগ্ন আস-সাঈদ মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের শূরা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদের পতনের পর কোটি মানুষের অগণিত প্রত্যাশা জাগিয়ে এবং ঐতিহাসিক দায় নিয়ে এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস বা ১৮০ দিন পার হয়ে গেলেও তারা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”
বিশেষ করে ঐতিহাসিক জুলাই সনদের অঙ্গীকারগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যে ১৮০ দিনের সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা ছিল, তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে উচ্চকক্ষ গঠনের যে বাধ্যতামূলক সময়সীমা নির্ধারিত ছিল, সেটিও মান্য করা হয়নি। সরকারের এই ধরনের ঢিলেঢালা ভাব জনরায়ের প্রতি স্পষ্ট উপেক্ষা ও অবজ্ঞার শামিল।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই শূরা অধিবেশনে সংগঠনের আরও বহু কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতা বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী ও কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার। এছাড়া অন্যান্য নেতৃবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, মুফতি অলিউল্লাহ, অ্যাডভোকেট মোস্তফা আল মামুন মনির, মুফতি ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মাছউদুর রহমান, শ্রমিক নেতা আলহাজ্ব আমীরুল হক, মাহবুব ইসলাম, যুবনেতা হাফেজ ইকবাল, মুফতি নিজাম উদ্দিন, ডাক্তার মোঃ মুজিবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার আলহাজ্ব আমিনুল হক তালুকদার, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন, মুফতি মুস্তাকিম বিল্লাহ, রাকিবুল ইসলাম ও মুহাম্মদ নাজমুল হাসান প্রমুখ। বক্তারা প্রত্যেকেই দেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুততম সময়ে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন