২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যপ্রদান সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ আলেম সমাজের মুখপাত্র ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক রিদওয়ান হাসান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষ্যদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিদওয়ান হাসান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনকালে দেশের মানুষের ওপর চালানো শোষণ, সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য, নাগরিক অধিকার এবং ভোটাধিকার হরণের মতো মৌলিক অন্যায়গুলো ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীসহ দেশজুড়ে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নজিরবিহীন নৃশংসতা ও গণহত্যার বাস্তব বিবরণ তিনি আদালতে তুলে ধরেছেন।
তিনি আদালতের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন শহীদ আহমদ আব্দুল্লাহ, শহীদ শিহাব, শহীদ আরিফ এবং শহীদ ইমাম হাসান তায়েম ভূঁইয়াসহ শত শত তাজা প্রাণের আত্মত্যাগের কথা। এর পাশাপাশি স্বৈরাচারী বলপ্রয়োগে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা কীভাবে পঙ্গুত্ব ও মারাত্মক জখমের শিকার হয়েছেন, সেই নির্মম সত্যগুলোও তিনি তুলে ধরেন।
আলেম সমাজের এই প্রতিনিধি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইতিহাসের এই অমানবিক অধ্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় জাতীয় দায়িত্ব। শহীদদের রক্তের সত্যতা ও মর্যাদা রক্ষায় দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তে ভেজা বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ে প্রকৃত ইনসাফ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করাই এখন সমগ্র জাতির মূল দাবি।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্যপ্রদান সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ আলেম সমাজের মুখপাত্র ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক রিদওয়ান হাসান ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।
সাক্ষ্যদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিদওয়ান হাসান বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনকালে দেশের মানুষের ওপর চালানো শোষণ, সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য, নাগরিক অধিকার এবং ভোটাধিকার হরণের মতো মৌলিক অন্যায়গুলো ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীসহ দেশজুড়ে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নজিরবিহীন নৃশংসতা ও গণহত্যার বাস্তব বিবরণ তিনি আদালতে তুলে ধরেছেন।
তিনি আদালতের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন শহীদ আহমদ আব্দুল্লাহ, শহীদ শিহাব, শহীদ আরিফ এবং শহীদ ইমাম হাসান তায়েম ভূঁইয়াসহ শত শত তাজা প্রাণের আত্মত্যাগের কথা। এর পাশাপাশি স্বৈরাচারী বলপ্রয়োগে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা কীভাবে পঙ্গুত্ব ও মারাত্মক জখমের শিকার হয়েছেন, সেই নির্মম সত্যগুলোও তিনি তুলে ধরেন।
আলেম সমাজের এই প্রতিনিধি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইতিহাসের এই অমানবিক অধ্যায়ের বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় জাতীয় দায়িত্ব। শহীদদের রক্তের সত্যতা ও মর্যাদা রক্ষায় দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের রক্তে ভেজা বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ে প্রকৃত ইনসাফ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করাই এখন সমগ্র জাতির মূল দাবি।

আপনার মতামত লিখুন