ইসলামের স্বর্ণযুগে জিজরায় জন্ম নেওয়া মুসলিম আলেম, উদ্ভাবক ও প্রকৌশলী ইসমাইল ইবনে রজ্জাজ আল-জাজারি যান্ত্রিক বিজ্ঞান ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। আনুমানিক ১১৩৬ সালে জন্ম নেওয়া এই বিজ্ঞানী পানি ঘড়ি, স্বয়ংক্রিয় মেশিন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, পানি উত্তোলন ব্যবস্থা ও বিভিন্ন যান্ত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করেন। তাঁর ১২০৬ সালে রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ The Book of Knowledge of Ingenious Mechanical Devices পরবর্তী প্রজন্মের প্রকৌশলীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে ওঠে।
সাইবারনেটিক্সের শুরুর ইতিহাস
সাইবারনেটিক্স বা নিয়ন্ত্রণবিজ্ঞান মূলত জীবিত ও জড় সব ধরনের ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে কাজ করে। এর ইতিহাস মানবসভ্যতার ইতিহাসের প্রায় সমান পুরোনো বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় সাইবারনেটিক্সকে জাদু ও মন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় হিসেবে দেখা হতো। ফলে প্রাথমিক যুগে মানুষ এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকত। পরবর্তী সময়ে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা বিনোদনের অংশ হিসেবেও ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
ইতিহাসের কিছু অদ্ভুত ঘটনাতেও যান্ত্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ডের পর মার্ক অ্যান্টনির একটি কৌশলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সিজারের মমির মতো একটি কাঠামোকে যান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় সেটিকে দাঁড় করানো হয়েছিল এবং হত্যার স্থানগুলো থেকে রক্ত বের হওয়ার মতো দৃশ্য তৈরি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে অ্যান্টনি জনগণের সামনে সিজারের হত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে জনরোষ সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
ইসলামি জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও পানি ও বায়ু নিয়ে গবেষণার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। আল-ফারাবির Risale li Ebi Nasr el-Farabi fi'l-Hala' গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তিনি বায়ু ও পানি নিয়ে গবেষণা করেন এবং প্রকৃতিতে শূন্যতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন।
জিজরার মুসলিম বিজ্ঞানী আল-জাজারি
যান্ত্রিক বিজ্ঞান ও রোবোটিক্সের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে বিবেচিত আল-জাজারি জিজরায় জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১১৩৬ সালে বলে ধারণা করা হয়।
আল-জাজারি তুর্কি, কুর্দি না আরব ছিলেন, তা নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়েছে। এসব বিতর্কের সঙ্গে অনেক সময় আদর্শিক অবস্থানও যুক্ত থাকে। নিশ্চিতভাবে জানা যায়, তিনি তুর্কি, কুর্দি ও আরবি ভাষা ভালোভাবে জানতেন।
তিনি এমন এক সময়ে বেড়ে ওঠেন, যখন ইসলামি বিশ্বে বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চার ব্যাপক বিকাশ ঘটছিল। তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে ফখরুদ্দিন রাজি পদার্থবিজ্ঞানে, ইবনে রুশদ চিকিৎসাবিজ্ঞানে, শরাফুদ্দিন আল-তুসি গণিতে এবং নাসিরুদ্দিন তুসি জ্যোতির্বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন।
জিজরা থেকে দিয়ারবাকির বা আমেদে অবস্থিত আরতুকি রাজদরবারে এসে আল-জাজারি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Al-Jami' Bayn al-'Ilm wa'l-'Amal al-Nafi' fi Sina'at al-Hiyal রচনা করেন। এই গ্রন্থের মাধ্যমে যান্ত্রিক প্রকৌশল ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র নির্মাণের জ্ঞান একটি সুসংবদ্ধ রূপ পায়।
ইসলামি বিজ্ঞান ইতিহাসের বিশিষ্ট গবেষক প্রয়াত অধ্যাপক ড. ফুয়াদ সেজগিন আল-জাজারির গ্রন্থটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেন, এটি দিয়ারবাকিরের আরতুকি শাসক নাসিরুদ্দিন মাহমুদের অনুরোধে লেখা হয়েছিল। গ্রন্থটি বহু পাণ্ডুলিপি ও রঙিন চিত্রসহ সংরক্ষিত হয়েছে এবং যান্ত্রিক বিষয়ে প্রাপ্ত গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।
সেজগিনের গবেষণা অনুযায়ী, আল-জাজারি তাঁর গ্রন্থে বিষুব ও সময়ভিত্তিক ঘড়ি এবং এক বস্তুকে অন্য বস্তুর মাধ্যমে তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরিয়ে দেওয়ার যন্ত্রসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করেন। তিনি প্রকৌশলীর দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রায় ৫০টি যন্ত্র ও বস্তু বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। সেগুলোর অনেকগুলো এমনভাবে চিত্রায়িত ও ব্যাখ্যা করা হয়েছিল, যাতে তুলনামূলকভাবে সহজে পুনর্নির্মাণ করা সম্ভব হয়।
কেন আল-জাজারির গ্রন্থ এত গুরুত্বপূর্ণ
আল-জাজারির গুরুত্বের অন্যতম কারণ হলো তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রগুলোর নকশা ও নির্মাণপদ্ধতি লিখিতভাবে সংরক্ষিত হয়েছিল। তুরস্কের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৯০ সালে তাঁর গ্রন্থটি তুর্কি ভাষায় অনূদিত হয়।
নিজের গ্রন্থের ভূমিকার মতো অংশে আল-জাজারি লিখেছেন, আরতুকি শাসক নাসিরুদ্দিন আবু আল-ফাতহ মাহমুদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কারা আরসালানের অধীনে দীর্ঘ সময় কাজ করার পর তিনি একদিন তাঁর তৈরি একটি যন্ত্র শাসকের সামনে উপস্থাপন করেন।
শাসক যন্ত্রটি দেখে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন এবং আল-জাজারিকে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রগুলোর নির্মাণপদ্ধতি ও নকশা নিয়ে একটি গ্রন্থ রচনা করার নির্দেশ দেন। আল-জাজারি লিখেছেন, এই নির্দেশের বাইরে তাঁর আর কোনো পথ ছিল না। তাই তিনি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে গ্রন্থটি রচনা করেন।
নিজের পদ্ধতিও লিখে গিয়েছিলেন আল-জাজারি
আল-জাজারি শুধু নিজের উদ্ভাবিত যন্ত্রের বিবরণ দেননি। কীভাবে তিনি গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, সেটিও লিখে গেছেন।
তিনি আগের বিজ্ঞানীদের গ্রন্থ ও পরবর্তী গবেষকদের কাজ গভীরভাবে পর্যালোচনা করেন। বিভিন্ন যান্ত্রিক গতিবিধির কারণ, পানি দিয়ে তৈরি সময় পরিমাপের যন্ত্র এবং এক বস্তুকে অন্য বস্তুর মাধ্যমে স্থানান্তরের পদ্ধতি তিনি বিশ্লেষণ করেন।
দীর্ঘ ও কঠিন গবেষণার মাধ্যমে তিনি এমন কিছু পদ্ধতি তৈরি করেন, যেগুলো তাঁর সমসাময়িকদের কাছে প্রথমে সন্দেহজনক মনে হলেও পরে তাঁকে যান্ত্রিক বিদ্যার একজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
আল-জাজারি আরও লিখেছিলেন, পূর্ববর্তী বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের অনেক তত্ত্ব ও যন্ত্র আবিষ্কারের তথ্য তিনি পেয়েছিলেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা বা সঠিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করা হয়নি। তাঁর মতে, প্রয়োগ করা যায় না এমন প্রযুক্তিগত জ্ঞান সত্য ও ভুলের মাঝামাঝি অবস্থায় থেকে যায়।
তাই তিনি পূর্বসূরিদের ছড়িয়ে থাকা জ্ঞান একত্র করেন, পরীক্ষিত বিষয়গুলোকে একটি পদ্ধতির মধ্যে সাজান এবং এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন যার শুরু ও শেষ বোঝা এবং অনুসরণ করা তুলনামূলকভাবে সহজ।
আল-জাজারির বিখ্যাত উদ্ভাবন
আল-জাজারির অধিকাংশ যন্ত্রের কেন্দ্রীয় শক্তির অন্যতম উৎস ছিল পানি। পানির ভাসমান শক্তি ও প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে তিনি বহু ধরনের যান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন।
তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় উদ্ভাবনগুলোর একটি হলো ‘হাতি ঘড়ি’ বা Elephant Clock।
এই ঘড়ির নকশায় একটি হাতির ওপর বিভিন্ন মানব ও প্রাণীর অবয়ব, পানি ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময় পরপর বিভিন্ন অংশ নড়াচড়া করত এবং শব্দ ও সংকেতের মাধ্যমে সময়ের পরিবর্তন জানানো হতো।
আল-জাজারির বর্ণনা অনুযায়ী, ঘড়ির ভেতরের পানির স্তর নির্দিষ্ট সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতো। প্রায় প্রতি ৩০ মিনিটে একটি গোলক নিচে পড়ে বিভিন্ন যান্ত্রিক অংশ সক্রিয় করত। পাখির অবয়ব ঘুরত, বিভিন্ন মানবাকৃতি হাত নাড়ত, সাপের মতো যন্ত্র নিচে নামত এবং পানি ধারণকারী ভাসমান অংশকে আবার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া হতো।
ফুয়াদ সেজগিনের Science and Technology in Islam গ্রন্থে এই ঘড়ির কার্যপ্রণালি আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর মতে, ঘড়িটি ৩০ মিনিটের ব্যবধানে সংকেত দিয়ে ২৪টি সমান সময় পরিমাপ করতে পারত।
সেজগিনের গবেষণা অনুযায়ী, এই ধরনের হাতি ঘড়ি পরবর্তী শতাব্দীগুলোতেও ইউরোপীয় ঘড়ি নির্মাতাদের আগ্রহের বিষয় হয়ে ওঠে। ১৬ ও ১৭ শতকে ইউরোপে বিভিন্ন অবয়বযুক্ত ঘড়ি নির্মাণে এর প্রভাব দেখা যায় বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। মিউনিখের Bayerisches Nationalmuseum-এ ১৭ শতকের শুরুর দিকের একটি হাতি ঘড়ির উদাহরণও রয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে যান্ত্রিক উদ্ভাবন
আল-জাজারির কাজ শুধু ঘড়ি বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে সীমাবদ্ধ ছিল না। স্থাপত্য, পানি উত্তোলন এবং চিকিৎসা সরঞ্জামেও তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
এর একটি উদাহরণ হলো ‘দুই লেখকসহ রক্ত সংগ্রহের পাত্র’। এটি রক্তক্ষরণের চিকিৎসায় নেওয়া রক্তের পরিমাণ পরিমাপের জন্য একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল।
এই যন্ত্রে একটি পাত্রের ওপর দুটি স্তম্ভ ও একটি প্ল্যাটফর্ম ছিল। সেখানে দুজন লেখকের অবয়ব স্থাপন করা হতো। একজনের সামনে ১ থেকে ১২০ পর্যন্ত চিহ্নিত একটি বৃত্তাকার স্কেল এবং অন্যজনের কাছে পরিমাপ নির্দেশ করার ব্যবস্থা ছিল।
রোগীর কাছ থেকে রক্ত নেওয়ার সময় রক্তের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ নড়াচড়া করত। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ত সংগ্রহ হয়েছে কি না তা বোঝা যেত।
আল-জাজারির বর্ণনায় সর্বোচ্চ ১২০ দিরহাম বা আনুমানিক ৩৪৮ গ্রাম পর্যন্ত রক্ত সংগ্রহের পরিমাণ নির্ধারণের ব্যবস্থা ছিল। প্রয়োজন হলে এর চেয়ে কম পরিমাণও নেওয়া যেত।
এই উদ্ভাবনের বিশেষত্ব ছিল রক্ত নেওয়ার পরিমাণকে যান্ত্রিকভাবে নির্ধারণ করার চেষ্টা। এর ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ঝুঁকি কমানোর একটি পদ্ধতি তৈরি হয়েছিল।
আরও বহু যন্ত্রের উদ্ভাবক
আল-জাজারি শিফরযুক্ত বা গোপন-ব্যবস্থার বাক্স, স্বয়ংক্রিয় জগ, পানি উত্তোলনকারী যন্ত্র, বিভিন্ন ধরনের পানি ঘড়ি এবং চিকিৎসা সরঞ্জামসহ বহু যান্ত্রিক ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন।
হাসানকেইফের ঐতিহাসিক স্থাপত্যেও তাঁর প্রকৌশল জ্ঞানের প্রভাব ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে নিজের কাজের সবচেয়ে বড় ভয় ছিল তাঁর উদ্ভাবনগুলো একদিন হারিয়ে যাবে। এ কারণেই তিনি তাঁর জ্ঞান লিখিতভাবে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন।
নিজের গ্রন্থে আল-জাজারি লিখেছেন, কঠিন কাজের কারণে তাঁর শ্রম যেন বাতাসে উড়ে যাওয়া ধুলোর মতো নষ্ট হয়ে না যায় এবং রাতের পর দিনের আলোয় অন্ধকার যেমন হারিয়ে যায়, তেমনভাবে তাঁর কাজও যেন বিস্মৃত না হয়, সে কারণেই তিনি নিজের কাজের একটি স্মারক রেখে যেতে চেয়েছিলেন।
তাঁর উদ্দেশ্য ছিল শুধু নিজের উদ্ভাবন সংরক্ষণ করা নয়। তিনি চেয়েছিলেন, পরবর্তী প্রজন্ম তাঁর কাজের পদ্ধতি গ্রহণ করবে, সেগুলো আরও উন্নত করবে এবং জ্ঞানকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আজ আল-জাজারির উত্তরাধিকার সেই লক্ষ্যকেই প্রতিফলিত করে। প্রায় আট শতাব্দী আগে লেখা তাঁর গ্রন্থের নকশা ও বর্ণনা আধুনিক প্রকৌশল, স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র এবং রোবোটিক্সের ইতিহাসে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
আধুনিকতাবাদ যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের সূতিকাগার হিসেবে কেবল পশ্চিমকে উপস্থাপন করতে চায়, তখন আল-জাজারির উদ্ভাবন প্রমাণ করে—মানবজাতির আধুনিক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয়েছিল একজন নিষ্ঠাবান মুসলিম বিজ্ঞানীর হাত ধরেই।
মতামত