বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের সমন্বিত পরিকল্পনা সরকারের

জ্বালানি সংকট সমাধানে মহাপরিকল্পনা, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি সংকট সমাধানে মহাপরিকল্পনা, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধানে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মৌখিক প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

সরকারের পরিকল্পনায় অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি আমদানি সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধানে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার রূপরেখাও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মৌখিক প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি—বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখার ফলেই দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট ও আমদানিনির্ভরতা তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত অনুসন্ধান এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট এই সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান করে দেশকে স্বনির্ভর ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপের খননকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) নতুন গ্যাস যুক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খননকাজ অব্যাহত রয়েছে। এসব কূপের কাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অবশিষ্ট কূপগুলো পর্যায়ক্রমে খননের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান জোরদার করতে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার বৃহৎ কর্মপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষম করে তুলতে নতুন দুটি আধুনিক রিগ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

অফশোর-অনশোর গ্যাস অনুসন্ধান

দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর ও অনশোর মডেল পিএসসি বা প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্টের আওতায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। অন্যদিকে অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মহেশখালীতে নতুন এলএনজি টার্মিনাল

সামুদ্রিক এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেখান থেকে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হবে। এর ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের এলএনজি আমদানি সক্ষমতা আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়বে।

এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অথবা পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় আরও এক থেকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জনমনে আগ্রহ তৈরি এবং এ খাতের দ্রুত প্রসারের জন্য ২০২৬ সালের ৮ জুন একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সব উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনে নেবে।

বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে ৬ থেকে ৭ টাকা খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ মুনাফা এবং ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম থাকবে। এই সুবিধা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সরকারি ভবনে রুফটপ সোলার

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল স্থাপনে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। অন্যান্য সরকারি দপ্তরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ,

প্রদত্ত মূল লেখাটি এখানে অসম্পূর্ণ হওয়ায় বায়ু বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত পরবর্তী তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই কোনো তথ্য অনুমান করে যোগ করা হয়নি।

বিষয় : জ্বালানি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জ্বালানি সংকট সমাধানে মহাপরিকল্পনা, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধানে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মৌখিক প্রশ্নের জবাবে তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

সরকারের পরিকল্পনায় অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি আমদানি সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের টেকসই সমাধানে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার রূপরেখাও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মৌখিক প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি—বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখার ফলেই দেশে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট ও আমদানিনির্ভরতা তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত অনুসন্ধান এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট এই সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান করে দেশকে স্বনির্ভর ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জ্বালানি ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপের খননকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) নতুন গ্যাস যুক্ত হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খননকাজ অব্যাহত রয়েছে। এসব কূপের কাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। অবশিষ্ট কূপগুলো পর্যায়ক্রমে খননের জন্য নতুন নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

নতুন গ্যাসের অনুসন্ধান জোরদার করতে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার বৃহৎ কর্মপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী ও সক্ষম করে তুলতে নতুন দুটি আধুনিক রিগ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

অফশোর-অনশোর গ্যাস অনুসন্ধান

দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অফশোর ও অনশোর মডেল পিএসসি বা প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্টের আওতায় ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর আন্তর্জাতিক বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। অন্যদিকে অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মহেশখালীতে নতুন এলএনজি টার্মিনাল

সামুদ্রিক এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সেখান থেকে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হবে। এর ফলে আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের এলএনজি আমদানি সক্ষমতা আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়বে।

এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অথবা পায়রা ও মোংলা বন্দর এলাকায় আরও এক থেকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জনমনে আগ্রহ তৈরি এবং এ খাতের দ্রুত প্রসারের জন্য ২০২৬ সালের ৮ জুন একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সব উপাদানের ওপর থেকে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অতিরিক্ত অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপনকারীদের জন্য আকর্ষণীয় আর্থিক মডেল ঘোষণা করা হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা বাসাবাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনে নেবে।

বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে ৬ থেকে ৭ টাকা খরচের বিপরীতে এই বাল্ক রেট ও সরকারি প্রণোদনার ফলে উদ্যোক্তারা ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত নিট মুনাফা অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ মুনাফা এবং ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম থাকবে। এই সুবিধা পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

সরকারি ভবনে রুফটপ সোলার

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের অংশ হিসেবে সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে সোলার প্যানেল স্থাপনে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। অন্যান্য সরকারি দপ্তরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।

সোলারের পাশাপাশি বায়ু বিদ্যুৎ,

প্রদত্ত মূল লেখাটি এখানে অসম্পূর্ণ হওয়ায় বায়ু বিদ্যুৎ-সংক্রান্ত পরবর্তী তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই কোনো তথ্য অনুমান করে যোগ করা হয়নি।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ