বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে বক্তব্য রাখার সময় বেসরকারি খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব নেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব।

রফতানি বৃদ্ধিতে ব্যর্থ শিল্পখাতকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধের হুঁশিয়ারি শেহবাজ শরিফের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

রফতানি বৃদ্ধিতে ব্যর্থ শিল্পখাতকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধের হুঁশিয়ারি শেহবাজ শরিফের

করাচিতে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (পিএসএক্স) 'নয়া নাজিমাবাদ অ্যাপার্টমেন্টস আরইআইটি' (REIT)-এর তালিকাভুক্তকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দশক ধরে ভর্তুকি পেয়েও রফতানি বাড়াতে ব্যর্থ হওয়া শিল্পখাতগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কেবল সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতকেই মূল নেতৃত্ব দিতে হবে। একই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং টেকসই রফতানিমুখী প্রবৃদ্ধির কৌশল তুলে ধরেন।

রফতানি প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা না রেখে বহু বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি ভোগ করে আসা শিল্পখাতগুলোর দক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, কেবল ভর্তুকির ওপর ভর করে জাতীয় অর্থনীতি টেকসই হতে পারে না; বরং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে রফতানিমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার করাচিতে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (পিএসএক্স) 'নয়া নাজিমাবাদ অ্যাপার্টমেন্টস আরইআইটি' (Real Estate Investment Trust)-এর তালিকাভুক্তকরণ সূচনাকারী ঘণ্টা বাজানো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাজেটে আবাসন ও নির্মাণ খাতের জন্য ঘোষিত প্রণোদনার ইতিবাচক ফল আসতে শুরু করেছে উল্লেখ করে শেহবাজ শরিফ বলেন, করাচির নির্মাণখাতে ইতিমধ্যেই পুনর্জাগরণ দেখা যাচ্ছে। তবে ১৯৬০-এর দশক থেকে চলে আসা একাধিক শিল্পখাতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬০-এর দশক থেকে দেশের একাধিক শিল্পখাত ধারাবাহিকভাবে সরকারি ভর্তুকি ও সুবিধা ভোগ করে আসছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা রফতানি বাড়াতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো দেশীয় বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে, গুণগত মান ও উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আমদানির বিকল্প দেশীয় পণ্য তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এটি একটি তিতা সত্য এবং আমরা যদি সামনের দিকে এগোতে চাই, তবে এই ভুল নীতি সংশোধন করতেই হবে।

অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফরকালে তিনি বিশ্বখ্যাত ব্যাংকার ও আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তারা সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান যখন শেহবাজ শরিফকে বলেন, এটি একটি নতুন পাকিস্তান, তখন তিনি প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন, এটি নতুন পাকিস্তান নয়, এটি একটি নতুন টিম।

শেহবাজ শরিফ আরও উল্লেখ করেন, বাজেটে ২.৩ ট্রিলিয়ন রুপির কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক এই ইতিবাচক ধারায় ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। সেই সাথে জাতীয় জবাবদিহিতা ব্যুরো (ন্যাব)-এর চেয়ারম্যানকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন রুপি মূল্যের জমি পুনরুদ্ধারের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ২১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং রেমিক্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ইউরোবন্ড ইস্যুতে পাকিস্তান বড় সাফল্য অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে একই উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাবে, যা গত বছর ৩.৭ শতাংশ ছিল।

আওরঙ্গজেব সতর্ক করে বলেন, সরকার চাইলেই অতিরিক্ত ভোগের ওপর ভিত্তি করে সাময়িকভাবে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে, কিন্তু তা লেনদেনের ভারসাম্যে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাবে এবং অর্থনীতিকে পুনরায় অস্থিরতার চক্রে ফেলে দেবে। তাই সরকার কৃত্রিম প্রবৃদ্ধির বদলে স্থায়িত্বশীল রফতানিমুখী প্রবৃদ্ধির পথ বেছে নিয়েছে।

আয়কর রিটার্ন জমাদানকারীর সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক (KSE-100) রেকর্ড ১৭০,০০ বিন্দুর কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং এ বছর বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক ১১টি নতুন আইপিও (IPO) বাজারে এসেছে।

অনুষ্ঠানে নয়া নাজিমাবাদের চেয়ারম্যান আরিফ হাবিব বলেন, বর্তমানে রেমিক্যান্স ও রিজার্ভ রেকর্ড মাত্রায় রয়েছে। বিশ্ববাজারে পাকিস্তানের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ফিরছে।

সমাপনী বক্তব্যে শেহবাজ শরিফ ও আওরঙ্গজেব উভয়ই বলেন, টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করা সরকারের কাজ এবং তারা নীতিগত পরিবেশ তৈরি করে দেবেন, কিন্তু মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকেই অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাতে হবে।

বিষয় : পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


রফতানি বৃদ্ধিতে ব্যর্থ শিল্পখাতকে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধের হুঁশিয়ারি শেহবাজ শরিফের

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

করাচিতে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (পিএসএক্স) 'নয়া নাজিমাবাদ অ্যাপার্টমেন্টস আরইআইটি' (REIT)-এর তালিকাভুক্তকরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দশক ধরে ভর্তুকি পেয়েও রফতানি বাড়াতে ব্যর্থ হওয়া শিল্পখাতগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কেবল সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বেসরকারি খাতকেই মূল নেতৃত্ব দিতে হবে। একই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং টেকসই রফতানিমুখী প্রবৃদ্ধির কৌশল তুলে ধরেন।

রফতানি প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা না রেখে বহু বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি ভোগ করে আসা শিল্পখাতগুলোর দক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, কেবল ভর্তুকির ওপর ভর করে জাতীয় অর্থনীতি টেকসই হতে পারে না; বরং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে রফতানিমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার করাচিতে পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (পিএসএক্স) 'নয়া নাজিমাবাদ অ্যাপার্টমেন্টস আরইআইটি' (Real Estate Investment Trust)-এর তালিকাভুক্তকরণ সূচনাকারী ঘণ্টা বাজানো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাজেটে আবাসন ও নির্মাণ খাতের জন্য ঘোষিত প্রণোদনার ইতিবাচক ফল আসতে শুরু করেছে উল্লেখ করে শেহবাজ শরিফ বলেন, করাচির নির্মাণখাতে ইতিমধ্যেই পুনর্জাগরণ দেখা যাচ্ছে। তবে ১৯৬০-এর দশক থেকে চলে আসা একাধিক শিল্পখাতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৬০-এর দশক থেকে দেশের একাধিক শিল্পখাত ধারাবাহিকভাবে সরকারি ভর্তুকি ও সুবিধা ভোগ করে আসছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা রফতানি বাড়াতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। উল্টো দেশীয় বাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে, গুণগত মান ও উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আমদানির বিকল্প দেশীয় পণ্য তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এটি একটি তিতা সত্য এবং আমরা যদি সামনের দিকে এগোতে চাই, তবে এই ভুল নীতি সংশোধন করতেই হবে।

অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফরকালে তিনি বিশ্বখ্যাত ব্যাংকার ও আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তারা সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান যখন শেহবাজ শরিফকে বলেন, এটি একটি নতুন পাকিস্তান, তখন তিনি প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন, এটি নতুন পাকিস্তান নয়, এটি একটি নতুন টিম।

শেহবাজ শরিফ আরও উল্লেখ করেন, বাজেটে ২.৩ ট্রিলিয়ন রুপির কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক এই ইতিবাচক ধারায় ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। সেই সাথে জাতীয় জবাবদিহিতা ব্যুরো (ন্যাব)-এর চেয়ারম্যানকে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন রুপি মূল্যের জমি পুনরুদ্ধারের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী জানান, স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ২১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং রেমিক্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ইউরোবন্ড ইস্যুতে পাকিস্তান বড় সাফল্য অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে একই উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশে পৌঁছাবে, যা গত বছর ৩.৭ শতাংশ ছিল।

আওরঙ্গজেব সতর্ক করে বলেন, সরকার চাইলেই অতিরিক্ত ভোগের ওপর ভিত্তি করে সাময়িকভাবে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে, কিন্তু তা লেনদেনের ভারসাম্যে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটাবে এবং অর্থনীতিকে পুনরায় অস্থিরতার চক্রে ফেলে দেবে। তাই সরকার কৃত্রিম প্রবৃদ্ধির বদলে স্থায়িত্বশীল রফতানিমুখী প্রবৃদ্ধির পথ বেছে নিয়েছে।

আয়কর রিটার্ন জমাদানকারীর সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৭ লাখ ছাড়িয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক (KSE-100) রেকর্ড ১৭০,০০ বিন্দুর কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং এ বছর বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক ১১টি নতুন আইপিও (IPO) বাজারে এসেছে।

অনুষ্ঠানে নয়া নাজিমাবাদের চেয়ারম্যান আরিফ হাবিব বলেন, বর্তমানে রেমিক্যান্স ও রিজার্ভ রেকর্ড মাত্রায় রয়েছে। বিশ্ববাজারে পাকিস্তানের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ফিরছে।

সমাপনী বক্তব্যে শেহবাজ শরিফ ও আওরঙ্গজেব উভয়ই বলেন, টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপন করা সরকারের কাজ এবং তারা নীতিগত পরিবেশ তৈরি করে দেবেন, কিন্তু মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকেই অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাতে হবে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ