শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির নিরস্ত্রকরণে নতুন উত্তেজনা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫

লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির নিরস্ত্রকরণে নতুন উত্তেজনা

লেবানন সরকার দেশের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরগুলো নিরস্ত্র করার পদক্ষেপ নেওয়ার পর দেশটিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বলছে, এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমান্তরাল সশস্ত্র কাঠামো ভাঙার উদ্যোগ; তবে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলো একে প্রতিরোধ দুর্বল করার পরিকল্পনা হিসেবে দেখছে।

সরকারি নির্দেশনার পর আগস্টে ফাতাহ সাতটি শিবিরের অস্ত্র লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে জমা দিয়েছে। দলটির বিশ্বাস, অস্ত্রের পরিবর্তে শরণার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায় করা সম্ভব হবে। তবে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো এই পদক্ষেপকে “শরণার্থী শিবির খালি করার ষড়যন্ত্র” বলে সমালোচনা করছে।

লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফাতাহসহ সব ফিলিস্তিনি দলকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনা হবে এবং এই প্রক্রিয়া থেকে আর পিছু হটার সুযোগ নেই। বিশ্লেষকদের মতে, ফাতাহের সিদ্ধান্ত হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের দাবি নতুনভাবে সামনে আনবে, কারণ তারাও দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের মুক্তির অজুহাতে অস্ত্র ধরে রেখেছে।

অন্যদিকে হামাস সতর্ক করে বলেছে, “নিরস্ত্রীকরণের নামে শিবিরগুলো বন্ধের চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধ করা হবে।” তাদের মতে, “শরণার্থী শিবিরের নিরাপত্তা লেবাননের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।”

বর্তমানে লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার শরণার্থী বসবাস করছে। সরকার সম্প্রতি তাদের জীবনমান উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কাজের অধিকার, শিক্ষা সুবিধা ও বসতবাড়ি পুনর্গঠন।

সূত্র: নিউ আরব

বিষয় : মধ্যপ্রাচ্য হামাস ফিলিস্তিন লেবানন হিজবুল্লাহ কওমী টাইমস ফাতাহ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির নিরস্ত্রকরণে নতুন উত্তেজনা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

লেবানন সরকার দেশের ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরগুলো নিরস্ত্র করার পদক্ষেপ নেওয়ার পর দেশটিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বলছে, এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমান্তরাল সশস্ত্র কাঠামো ভাঙার উদ্যোগ; তবে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলো একে প্রতিরোধ দুর্বল করার পরিকল্পনা হিসেবে দেখছে।

সরকারি নির্দেশনার পর আগস্টে ফাতাহ সাতটি শিবিরের অস্ত্র লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে জমা দিয়েছে। দলটির বিশ্বাস, অস্ত্রের পরিবর্তে শরণার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায় করা সম্ভব হবে। তবে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো এই পদক্ষেপকে “শরণার্থী শিবির খালি করার ষড়যন্ত্র” বলে সমালোচনা করছে।

লেবাননের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফাতাহসহ সব ফিলিস্তিনি দলকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনা হবে এবং এই প্রক্রিয়া থেকে আর পিছু হটার সুযোগ নেই। বিশ্লেষকদের মতে, ফাতাহের সিদ্ধান্ত হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের দাবি নতুনভাবে সামনে আনবে, কারণ তারাও দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনের মুক্তির অজুহাতে অস্ত্র ধরে রেখেছে।

অন্যদিকে হামাস সতর্ক করে বলেছে, “নিরস্ত্রীকরণের নামে শিবিরগুলো বন্ধের চেষ্টা হলে তা প্রতিরোধ করা হবে।” তাদের মতে, “শরণার্থী শিবিরের নিরাপত্তা লেবাননের জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।”

বর্তমানে লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার শরণার্থী বসবাস করছে। সরকার সম্প্রতি তাদের জীবনমান উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কাজের অধিকার, শিক্ষা সুবিধা ও বসতবাড়ি পুনর্গঠন।

সূত্র: নিউ আরব


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ