কক্সবাজারের উখিয়ার ৮ই (Camp 8E) নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বর্ষণের সময় একটি ভবনের দেয়াল ধসে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৪:২০ মিনিটে ডি-৫ ব্লকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম বিবি হাফসা। তিনি স্থানীয় শরণার্থী নুরুল ইসলামের স্ত্রী। প্রবল বর্ষণে অবকাঠামোগত নিরাপত্তার অভাবে ক্যাম্পগুলোতে সাধারণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জানমালের ঝুঁকি পুনরায় উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বর্ষার টানা বৃষ্টিতে জরাজীর্ণ অবকাঠামো ভেঙে পড়ে আবারও এক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে ৮ই নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের ডি-৫ ব্লকে ভারী বৃষ্টির সময় একটি সীমানা প্রাচীর ধসে আশ্রয়কেন্দ্রের ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই এক রোহিঙ্গা নারী মারা যান।
নিহত বিবি হাফসা (২৫) ওই শিবিরের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাদের পরিবারে স্বামী ও দুই নাবালক সন্তান রয়েছে। চার সদস্যের এই পরিবারটি এখন মাতৃহীন হয়ে গভীর শোকে আচ্ছন্ন।
স্থানীয় সূত্র এবং রোহিঙ্গা সাইটের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, আগে 'জেসিএফ স্কুল' (JCF School) নামে পরিচালিত এবং বর্তমানে 'মুক্তি' (Mukti) এনজিও কর্তৃক ব্যবহৃত একটি ভবনের দেয়াল প্রবল বর্ষণের মুখে স্থায়িত্ব হারিয়ে পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্রটির ওপর ধসে পড়ে। মাটির তৈরি ও জরাজীর্ণ কাঠামোর কারণে দেয়ালটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিবি হাফসার।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস এবং দুর্বল কাঠামোর দেয়াল ও শেড ধসের ঘটনা নিত্যদিনের ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই ক্যাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও টেকসই আবাসন না থাকায় সাধারণ অসহায় রোহিঙ্গারা চরম প্রাণসংশয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্ব সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাসমূহের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও ক্যাম্পের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এখনো দৃশ্যমান কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিবিরের সাধারণ রোহিঙ্গারা অবিলম্বে এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পরিচালিত ভবনসহ পুরো ক্যাম্প এলাকার ঝুকিপূর্ণ অবকাঠামোগুলো চিহ্নিত করে পুনর্নির্মাণ ও নিরাপত্তা জোরদার করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন করুণ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
বিষয় : রোহিঙ্গা

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার ৮ই (Camp 8E) নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বর্ষণের সময় একটি ভবনের দেয়াল ধসে এক রোহিঙ্গা নারী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৪:২০ মিনিটে ডি-৫ ব্লকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম বিবি হাফসা। তিনি স্থানীয় শরণার্থী নুরুল ইসলামের স্ত্রী। প্রবল বর্ষণে অবকাঠামোগত নিরাপত্তার অভাবে ক্যাম্পগুলোতে সাধারণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জানমালের ঝুঁকি পুনরায় উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বর্ষার টানা বৃষ্টিতে জরাজীর্ণ অবকাঠামো ভেঙে পড়ে আবারও এক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে ৮ই নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের ডি-৫ ব্লকে ভারী বৃষ্টির সময় একটি সীমানা প্রাচীর ধসে আশ্রয়কেন্দ্রের ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই এক রোহিঙ্গা নারী মারা যান।
নিহত বিবি হাফসা (২৫) ওই শিবিরের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের স্ত্রী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাদের পরিবারে স্বামী ও দুই নাবালক সন্তান রয়েছে। চার সদস্যের এই পরিবারটি এখন মাতৃহীন হয়ে গভীর শোকে আচ্ছন্ন।
স্থানীয় সূত্র এবং রোহিঙ্গা সাইটের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, আগে 'জেসিএফ স্কুল' (JCF School) নামে পরিচালিত এবং বর্তমানে 'মুক্তি' (Mukti) এনজিও কর্তৃক ব্যবহৃত একটি ভবনের দেয়াল প্রবল বর্ষণের মুখে স্থায়িত্ব হারিয়ে পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্রটির ওপর ধসে পড়ে। মাটির তৈরি ও জরাজীর্ণ কাঠামোর কারণে দেয়ালটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিবি হাফসার।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস এবং দুর্বল কাঠামোর দেয়াল ও শেড ধসের ঘটনা নিত্যদিনের ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই ক্যাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও টেকসই আবাসন না থাকায় সাধারণ অসহায় রোহিঙ্গারা চরম প্রাণসংশয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্ব সম্প্রদায় ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাসমূহের পক্ষ থেকে নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও ক্যাম্পের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এখনো দৃশ্যমান কোনো স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয় রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিবিরের সাধারণ রোহিঙ্গারা অবিলম্বে এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পরিচালিত ভবনসহ পুরো ক্যাম্প এলাকার ঝুকিপূর্ণ অবকাঠামোগুলো চিহ্নিত করে পুনর্নির্মাণ ও নিরাপত্তা জোরদার করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন করুণ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন