শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
কওমী টাইমস

হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল বন্দর এলাকা; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি।

নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা: বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ



নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা: বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক বুলবুল আহমেদকে (৩৫) নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বন্দরের মদনপুর এলাকায় টায়ার ও বাঁশে আগুন জ্বালিয়ে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়, যার ফলে মহাসড়কে যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ইসলামী যুব আন্দোলনের এক উদীয়মান নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত বুলবুল আহমেদ (৩৫) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে এবং ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় বুলবুল আহমেদের ওপর একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত ও নির্মম হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও পরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একনিষ্ঠ একজন ইসলামী সংগঠককে এভাবে প্রকাশ্যে ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর দিন শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ইসলামী যুব আন্দোলন ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বন্দর এলাকার মদনপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেমে আসেন। তারা হত্যাকাণ্ডের তীব্র বিচার দাবি করে মহাসড়কে টায়ার, বাঁশ ও কাঠে আগুন ধরিয়ে দেন এবং সড়ক অবরোধ পরিচালনা করেন।

অবরোধের কারণে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিক্ষোভকারীরা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করা এবং মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন।

ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অনতিবিলম্বে বুলবুল আহমেদের খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে। মানবাধিকার ও সুশাসনের স্বার্থে এই ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের বিচার করা এখন সময়ের দাবি।

বিষয় : হত্যাকাণ্ড নারায়ণগঞ্জ ইসলামী যুব আন্দোলন

আপনার মতামত লিখুন

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা: বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক বুলবুল আহমেদকে (৩৫) নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বন্দরের মদনপুর এলাকায় টায়ার ও বাঁশে আগুন জ্বালিয়ে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়, যার ফলে মহাসড়কে যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ইসলামী যুব আন্দোলনের এক উদীয়মান নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত বুলবুল আহমেদ (৩৫) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে এবং ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় বুলবুল আহমেদের ওপর একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত ও নির্মম হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও পরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একনিষ্ঠ একজন ইসলামী সংগঠককে এভাবে প্রকাশ্যে ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর দিন শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ইসলামী যুব আন্দোলন ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বন্দর এলাকার মদনপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেমে আসেন। তারা হত্যাকাণ্ডের তীব্র বিচার দাবি করে মহাসড়কে টায়ার, বাঁশ ও কাঠে আগুন ধরিয়ে দেন এবং সড়ক অবরোধ পরিচালনা করেন।

অবরোধের কারণে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিক্ষোভকারীরা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করা এবং মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন।

ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অনতিবিলম্বে বুলবুল আহমেদের খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া হবে। মানবাধিকার ও সুশাসনের স্বার্থে এই ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের বিচার করা এখন সময়ের দাবি।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ