ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় চাপ সৃষ্টি করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী নীতি বাস্তবায়নের এক চরম হুংকার দিয়েছেন বিজেপি নেতা ও রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও মেরুকরণের রাজনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি নিশানা করেন।
প্রতিবেদনে জানা যায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির উগ্র জাতীয়তাবাদী ও বৈষম্যমূলক স্বপ্ন বাস্তবায়নই তাঁদের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেন এই বিজেপি নেতা।
বিশ্লেষকদের মতে, 'বন্দে মাতরম' গানের বহু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ধর্মীয় বিতর্ক রয়েছে, যা একে মুসলিম ও অন্য বহুত্ববাদী সম্প্রদায়ের কাছে চাপিয়ে দেওয়ার এক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো। ভারতীয় সংবিধান ও নাগরিক অধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার এরূপ বক্তব্য রাজ্যের সংখ্যালঘু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মৌলিক স্বাধীনতাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উগ্রতা ছড়িয়ে দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার এই অপচেষ্টা ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর জন্য এক মারাত্মক সংকেত।
বিষয় : ভারত কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় চাপ সৃষ্টি করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী নীতি বাস্তবায়নের এক চরম হুংকার দিয়েছেন বিজেপি নেতা ও রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও মেরুকরণের রাজনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে সরাসরি নিশানা করেন।
প্রতিবেদনে জানা যায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির উগ্র জাতীয়তাবাদী ও বৈষম্যমূলক স্বপ্ন বাস্তবায়নই তাঁদের মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেন এই বিজেপি নেতা।
বিশ্লেষকদের মতে, 'বন্দে মাতরম' গানের বহু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ধর্মীয় বিতর্ক রয়েছে, যা একে মুসলিম ও অন্য বহুত্ববাদী সম্প্রদায়ের কাছে চাপিয়ে দেওয়ার এক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো। ভারতীয় সংবিধান ও নাগরিক অধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার এরূপ বক্তব্য রাজ্যের সংখ্যালঘু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মৌলিক স্বাধীনতাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উগ্রতা ছড়িয়ে দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার এই অপচেষ্টা ভারতের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর জন্য এক মারাত্মক সংকেত।

আপনার মতামত লিখুন