চলতি যুদ্ধবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। দেইর আল-বালাহ এলাকায় রাতভর পরিচালিত এ হামলায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং হামাসের নুখবা বাহিনীর সদস্য মোহাম্মদ আবদ আল-নাসের জাবর আবু আসাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আইডিএফ। যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে বেসামরিক অধ্যুষিত এলাকায় এমন হামলায় পুরো অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
গাজায় বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফের সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্সের (আইডিএফ) দাবি অনুযায়ী, গাজার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর আল-বালাহ এলাকায় পরিচালিত হামলায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের অভিজাত ‘নুখবা’ ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মোহাম্মদ আবদ আল-নাসের জাবর আবু আসাদ নিহত হন।
আইডিএফের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আবু আসাদ এবং অপর এক প্রতিরোধ যোদ্ধা ইসরাইলি বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, তারা হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে 'পদ্ধতিগতভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন' করছিলেন। এই 'তাত্ক্ষণিক হুমকি' নিষ্ক্রিয় করতেই বিমান হামলাটি চালানো হয়েছে বলে দাবি করে আইডিএফ। তবে হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা দ্বিতীয় ব্যক্তি জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতির চুক্তি চলাকালে এ ধরনের টার্গেটেড হত্যা ও সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক জেনেভা কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বৈশ্বিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো। বছরের পর বছর ধরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অব্যাহত বিমান হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি চরম মানবিক বিপর্যয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের একতরফা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে পরিচালিত প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপই নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবিলম্বে এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
বিষয় : ইসরাইল ফিলিস্তিন গাজা যুদ্ধ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
চলতি যুদ্ধবিরতি চুক্তির তোয়াক্কা না করেই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। দেইর আল-বালাহ এলাকায় রাতভর পরিচালিত এ হামলায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধা এবং হামাসের নুখবা বাহিনীর সদস্য মোহাম্মদ আবদ আল-নাসের জাবর আবু আসাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আইডিএফ। যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে বেসামরিক অধ্যুষিত এলাকায় এমন হামলায় পুরো অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
গাজায় বেসামরিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ফের সামরিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্সের (আইডিএফ) দাবি অনুযায়ী, গাজার মধ্যাঞ্চলীয় দেইর আল-বালাহ এলাকায় পরিচালিত হামলায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের অভিজাত ‘নুখবা’ ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মোহাম্মদ আবদ আল-নাসের জাবর আবু আসাদ নিহত হন।
আইডিএফের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আবু আসাদ এবং অপর এক প্রতিরোধ যোদ্ধা ইসরাইলি বাহিনী ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে নতুন আক্রমণের পরিকল্পনা করছিলেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, তারা হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে 'পদ্ধতিগতভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন' করছিলেন। এই 'তাত্ক্ষণিক হুমকি' নিষ্ক্রিয় করতেই বিমান হামলাটি চালানো হয়েছে বলে দাবি করে আইডিএফ। তবে হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা দ্বিতীয় ব্যক্তি জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিরতির চুক্তি চলাকালে এ ধরনের টার্গেটেড হত্যা ও সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক জেনেভা কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন বৈশ্বিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো। বছরের পর বছর ধরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অব্যাহত বিমান হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি চরম মানবিক বিপর্যয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের একতরফা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে পরিচালিত প্রতিটি সামরিক পদক্ষেপই নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবিলম্বে এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।

আপনার মতামত লিখুন