যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসা নিয়ে প্রবেশ করে পরবর্তীতে স্থায়ী আশ্রয়ের (Asylum) আবেদন করা প্রায় দুই লাখ বিদেশি নাগরিকের বি-১ ও বি-২ ভিসা বাতিলের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি ও আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষার ওপর নতুন এক বড় আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যুকৃত বি-১ ও বি-২ ভিসাধারীদের ওপর এই নীতি প্রযোজ্য হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ‘ভিত্তিহীন ও ভুয়া আশ্রয়ের আবেদনে’ ভরে গেছে।
তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও আইনজীবীরা ট্রাম্প প্রশাসনের এই চরমপন্থি নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
বিশেষ করে ট্রাম্পের এই দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে মধ্যপ্রাচ্য বা বিভিন্ন মুসলিম দেশের নাগরিক এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদের পক্ষে কথা বলা ব্যক্তিদেরও টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে, এই গণ-ভিসা বাতিলের উদ্যোগ অভিবাসী পরিবার ও বর্ণগত সংখ্যালঘুদের আরও বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেবে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি ভিসা নিয়ে প্রবেশ করে পরবর্তীতে স্থায়ী আশ্রয়ের (Asylum) আবেদন করা প্রায় দুই লাখ বিদেশি নাগরিকের বি-১ ও বি-২ ভিসা বাতিলের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি ও আশ্রয়প্রার্থীদের সুরক্ষার ওপর নতুন এক বড় আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যুকৃত বি-১ ও বি-২ ভিসাধারীদের ওপর এই নীতি প্রযোজ্য হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ‘ভিত্তিহীন ও ভুয়া আশ্রয়ের আবেদনে’ ভরে গেছে।
তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও আইনজীবীরা ট্রাম্প প্রশাসনের এই চরমপন্থি নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
বিশেষ করে ট্রাম্পের এই দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে মধ্যপ্রাচ্য বা বিভিন্ন মুসলিম দেশের নাগরিক এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদের পক্ষে কথা বলা ব্যক্তিদেরও টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে যে, এই গণ-ভিসা বাতিলের উদ্যোগ অভিবাসী পরিবার ও বর্ণগত সংখ্যালঘুদের আরও বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন