শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

গাজায় গণহত্যা অভিযোগের পরও জার্মানি অনুমোদন দিল ২.৪৬ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির।

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জার্মানি ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জার্মানি ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে

গাজায় সংঘাত ও গণহত্যা অভিযোগ সত্ত্বেও জার্মান সরকার ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে সীমিত নিষেধাজ্ঞা জারির পরও ২.৪৬ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জামের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জার্মান অর্থনীতি ও ক্লাইমেট মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, ৮ আগস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ইসরায়েলের কাছে “অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম” রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে অন্তত ২.৪৬ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র সরবরাহের অনুমতি মিলেছে, যদিও সরকার দাবি করছে, এ সরঞ্জাম “যুদ্ধাস্ত্র” নয় এবং পূর্বে অনুমোদিত রপ্তানির অল্প অংশ মাত্র।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ আগস্টে ঘোষণা করেছিলেন, গাজা সেক্টরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বাড়ানোর পর গাজায় ব্যবহারের জন্য অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছে। তবুও ২০২৫ সালের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইসরায়েলের কাছে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২৩ সালে জার্মান সরকার ইসরায়েলের কাছে ৩২৭ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অনুমোদন দেয়, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

“ডাই লিঙ্কে” দলের সদস্য লিয়া রেইসনার সরকারের সিদ্ধান্তকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “জার্মান সরকার গোপনে ইসরায়েলের জন্য কোটি কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অব্যাহত রেখে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।”

বার্লিন দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের “বিশ্বাসযোগ্য” সমর্থক। এটি নাজি অতীত ও হোলোকাস্টের ইতিহাসের জন্য দায়বদ্ধতার প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করা হয়। অস্ত্র রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয় অর্থনীতি ও পরিবেশ, বিদেশ, এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ ফেডারেল নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে। তবে তৃতীয় দেশের মাধ্যমে রপ্তানির বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

বিষয় : জার্মান

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জার্মানি ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রি অব্যাহত রেখেছে

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

গাজায় সংঘাত ও গণহত্যা অভিযোগ সত্ত্বেও জার্মান সরকার ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে সীমিত নিষেধাজ্ঞা জারির পরও ২.৪৬ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জামের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জার্মান অর্থনীতি ও ক্লাইমেট মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, ৮ আগস্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ইসরায়েলের কাছে “অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম” রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে অন্তত ২.৪৬ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র সরবরাহের অনুমতি মিলেছে, যদিও সরকার দাবি করছে, এ সরঞ্জাম “যুদ্ধাস্ত্র” নয় এবং পূর্বে অনুমোদিত রপ্তানির অল্প অংশ মাত্র।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ আগস্টে ঘোষণা করেছিলেন, গাজা সেক্টরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বাড়ানোর পর গাজায় ব্যবহারের জন্য অস্ত্র রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছে। তবুও ২০২৫ সালের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইসরায়েলের কাছে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ইউরোর সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২৩ সালে জার্মান সরকার ইসরায়েলের কাছে ৩২৭ মিলিয়ন ইউরোর অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অনুমোদন দেয়, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

“ডাই লিঙ্কে” দলের সদস্য লিয়া রেইসনার সরকারের সিদ্ধান্তকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “জার্মান সরকার গোপনে ইসরায়েলের জন্য কোটি কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি অব্যাহত রেখে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।”

বার্লিন দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের “বিশ্বাসযোগ্য” সমর্থক। এটি নাজি অতীত ও হোলোকাস্টের ইতিহাসের জন্য দায়বদ্ধতার প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করা হয়। অস্ত্র রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয় অর্থনীতি ও পরিবেশ, বিদেশ, এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ ফেডারেল নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে। তবে তৃতীয় দেশের মাধ্যমে রপ্তানির বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ