শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

“একটি স্কুল, এক হাজার আশা” নামে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় শুরু হওয়া মানবিক উদ্যোগ গাজা পুনর্গঠনে আলো ছড়াচ্ছে

আঙ্কারার স্কুলগুলো গাজা পুনর্গঠনে দিল ২৫ লাখ ডলার


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫

আঙ্কারার স্কুলগুলো গাজা পুনর্গঠনে দিল ২৫ লাখ ডলার

ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞে বিপর্যস্ত গাজার পুনর্গঠনে সহায়তা দিতে তুরস্কের আঙ্কারা শহরের স্কুলগুলো এক মানবিক উদ্যোগে ২৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে। “একটি স্কুল, এক হাজার আশা” নামের এই প্রকল্পটি আয়োজন করেছিল আঙ্কারা শিক্ষা অধিদপ্তর।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার ১,৮৪৭টি স্কুল, যার মধ্যে ৩৩৫টি বেসরকারি, অংশ নেয় “স্কুল ওয়ান, থাউজ্যান্ড হোপস—গাজা চ্যারিটি মার্কেট” নামের মানবিক অভিযানে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগৃহীত ১০১ মিলিয়ন ৪৭০ হাজার তুর্কি লিরা (প্রায় ২.৫ মিলিয়ন ডলার) গাজা পুনর্গঠনের কাজে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আঙ্কারার গভর্নর ওয়াসিপ শাহিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থের চেক হস্তান্তর করেন তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি সহায়তা অধিদপ্তর (AFAD)-এর প্রধান আলি হামজা বেহলুয়ানকে। অনুষ্ঠানে বেহলুয়ান শিক্ষা অধিদপ্তরপ্রধান ইউসুফ টেকিন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “গাজা সংকটে তুরস্ক, বিশেষত প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করছেন।”

গভর্নর শাহিন জানান, সংগৃহীত অর্থ AFAD-এর মাধ্যমে সরাসরি গাজার জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এটি কেবল অর্থ নয়, বরং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে গাজার ভাই-বোনদের জন্য ভালোবাসার প্রতীক।”

গাজার সরকারি তথ্য দপ্তরের হিসেবে, ২৪ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে অন্তত ২০ লাখ মানুষ গত দুই বছরে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার পরিবার আজ আশ্রয়হীন, এবং তারা সংকীর্ণ এলাকায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে।

১০ অক্টোবর ২০২৫-এ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ইসরায়েল গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা দখলে রেখেছে। এই যুদ্ধ, যা শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহায়তায়, এতে নিহত হয় ৬৮ হাজার ৮৬৫ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয় ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৭০ জন—যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

বিষয় : তুরস্ক

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


আঙ্কারার স্কুলগুলো গাজা পুনর্গঠনে দিল ২৫ লাখ ডলার

প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image

ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞে বিপর্যস্ত গাজার পুনর্গঠনে সহায়তা দিতে তুরস্কের আঙ্কারা শহরের স্কুলগুলো এক মানবিক উদ্যোগে ২৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করেছে। “একটি স্কুল, এক হাজার আশা” নামের এই প্রকল্পটি আয়োজন করেছিল আঙ্কারা শিক্ষা অধিদপ্তর।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার ১,৮৪৭টি স্কুল, যার মধ্যে ৩৩৫টি বেসরকারি, অংশ নেয় “স্কুল ওয়ান, থাউজ্যান্ড হোপস—গাজা চ্যারিটি মার্কেট” নামের মানবিক অভিযানে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগৃহীত ১০১ মিলিয়ন ৪৭০ হাজার তুর্কি লিরা (প্রায় ২.৫ মিলিয়ন ডলার) গাজা পুনর্গঠনের কাজে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আঙ্কারার গভর্নর ওয়াসিপ শাহিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থের চেক হস্তান্তর করেন তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি সহায়তা অধিদপ্তর (AFAD)-এর প্রধান আলি হামজা বেহলুয়ানকে। অনুষ্ঠানে বেহলুয়ান শিক্ষা অধিদপ্তরপ্রধান ইউসুফ টেকিন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “গাজা সংকটে তুরস্ক, বিশেষত প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান, মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করছেন।”

গভর্নর শাহিন জানান, সংগৃহীত অর্থ AFAD-এর মাধ্যমে সরাসরি গাজার জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এটি কেবল অর্থ নয়, বরং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে গাজার ভাই-বোনদের জন্য ভালোবাসার প্রতীক।”

গাজার সরকারি তথ্য দপ্তরের হিসেবে, ২৪ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে অন্তত ২০ লাখ মানুষ গত দুই বছরে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার পরিবার আজ আশ্রয়হীন, এবং তারা সংকীর্ণ এলাকায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে।

১০ অক্টোবর ২০২৫-এ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ইসরায়েল গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা দখলে রেখেছে। এই যুদ্ধ, যা শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহায়তায়, এতে নিহত হয় ৬৮ হাজার ৮৬৫ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয় ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৭০ জন—যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ