শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

মুসলিমবিশ্বকে ধ্বংসের চক্রান্তে নাইন-ইলেভেনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বখাত সলিল

ইসলামভীতি ছড়াতে নিজের পাতা ফাঁদেই আটকেছিল যুক্তরাষ্ট্র


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামভীতি ছড়াতে নিজের পাতা ফাঁদেই আটকেছিল যুক্তরাষ্ট্র

নাইন-ইলেভেনের হামলা নিয়ে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের আগাম জানাশোনা এবং পরবর্তীতে এর সুযোগ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সাংবাদিক টাকার কার্লসনের এক অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রে দাবি করা হয়েছে, ইসরাইল শুরু থেকেই এই হামলা সম্পর্কে অবহিত ছিল এবং তা থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করেছে। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া থেকে ইরান পর্যন্ত আগ্রাসন চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আজ নিজেই নিজের পাতা ইসলামভীতি ও যুদ্ধবাজ নীতির ফাঁদে আটকা পড়েছে।

আফগানিস্তান থেকে ইরাক, লিবিয়া থেকে সিরিয়া এবং বর্তমানে ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত এক দীর্ঘ যুদ্ধ ও ইসলামভীতি ছড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই নিজের তৈরি করা ফাঁদে আটকে পড়েছে। ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার দুই দশক পার হলেও এর পেছনের প্রকৃত সত্য ও ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি মার্কিন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসন বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের 'আনসেন্সরড নিউজ'-এ প্রকাশিত এক প্রামাণ্যচিত্র সিরিজে এই হামলার আড়ালের চাঞ্চল্যকর সত্য উন্মোচন করেছেন।

কার্লসনের মতে, ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা ৯/১১ হামলা সংঘটিত হওয়ার আগেই সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানত। ইসরাইলি নেতৃত্ব কখনোই ৯/১১ হামলা নিয়ে তাদের আসল মনোভাব লুকায়নি। বরং তারা মনে করত, এই রক্তক্ষয়ী হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ককে আরো গভীর ও কৌশলগতভাবে জোরদার করেছে। হামলার পরপরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে বলেছিলেন, 'এই ঘটনা আসলে খুবই ভালো। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সংঘাত ও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ইসরাইল কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে আসছে।' নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে পার্ল হারবারে জাপানি হামলার সাথেও তুলনা করেছিলেন।

কার্লসনের অনুসন্ধানে বহুল আলোচিত ‘ইসরাইলি আর্ট স্টুডেন্টস’ ইস্যুটিও পুনরায় সামনে এসেছে। তিনি প্রকাশ করেন, হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তথাকথিত ইসরাইলি শিল্পশিক্ষার্থীদের অনেকেই মূলত ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এফবিআই তাদের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদ করলেও অদ্ভুতভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন ছাড়াই ইসরাইলের চাপে তাদের মুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এফবিআই-এর নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, এই দলটির কয়েকজন সদস্য হামলার প্রত্যক্ষ দৃশ্য ভিডিও ধারণ করেছিলেন এবং তারা স্পষ্টতই হামলার বিষয়ে পূর্ব থেকেই অবগত ছিলেন।

প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের আড়াল করে এই হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সাধারণ মুসলিম ও আরব বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ওপর চরম জুলুম-নির্যাতন নেমে আসে। উগ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও মিডিয়া ভাস্কররা মুসলিমভীতি উসকে দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লোটে। আমেরিকার বহু মসজিদে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং নিরপরাধ মুসলিমদের ওপর ক্রমাগত হত্যার হুমকি নেমে আসে। ২০১১ সালে মার্কিন কংগ্রেসে প্রদত্ত ‘সাউদার্ন পোভার্টি ল সেন্টার’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয়ের কারণে হাজার হাজার মানুষ শারীরিক আক্রমণ, মারধর ও বন্দুকের মুখের হুমকির শিকার হন।

মার্কিন প্রশাসনের এই বর্ণবাদী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর বলেন, ৯/১১ পরবর্তী বৈষম্যে সাধারণ মার্কিন মুসলিমরাও সমানভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। অথচ ফায়ার সার্ভিসকর্মীসহ বহু নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম সেদিন আমেরিকার নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর নিজস্ব পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ২০০০ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণাজনিত অপরাধ বা হ্যাট ক্রাইম রাতারাতি অবিশ্বাস্যভাবে ১৬১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ২০০০ সালে মুসলিমবিরোধী অপরাধের সংখ্যা যেখানে ছিল মাত্র ২৮টি, ২০০১ সালে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১টিতে—যা মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায়।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরব আমেরিকান স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক স্যালি হাওয়েল এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় বলেন, নাইন-ইলেভেনের পর সন্ত্রাস মোকাবিলার দোহাই দিয়ে মূলত গণ-নজরদারি, রাষ্ট্রীয় হয়রানি এবং নিরপরাধ নাগরিকদের ফাঁদে ফেলার এক আইনি বৈধতা তৈরি করা হয়, যার মূল শিকার করা হয় মুসলিমদের।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনকালীন সময়েও কট্টরপন্থীদের মুসলিমবিরোধী প্রচারণার কারণে ঘৃণামূলক অপরাধ আবার বৃদ্ধি পায়। ২০০২ সালে এই অপরাধ কমে ১৫৫টিতে নামলেও, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইসলামভীতি ব্যবহারের ফলে ২০১৫ সালে তা বেড়ে ২৫৭ এবং ২০১৬ সালে ৩০৭-এ পৌঁছায়। বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও উগ্র হিন্দুত্ববাদের মতো উগ্র মতাদর্শগুলো আজ এই আমেরিকান ‘ইসলামোফোবিয়া’ মডেলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের মানবাধিকার হরণ করে চলেছে।

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র ইসলামভীতি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইসলামভীতি ছড়াতে নিজের পাতা ফাঁদেই আটকেছিল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নাইন-ইলেভেনের হামলা নিয়ে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের আগাম জানাশোনা এবং পরবর্তীতে এর সুযোগ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সাংবাদিক টাকার কার্লসনের এক অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্রে দাবি করা হয়েছে, ইসরাইল শুরু থেকেই এই হামলা সম্পর্কে অবহিত ছিল এবং তা থেকে রাজনৈতিক সুবিধা আদায় করেছে। আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া থেকে ইরান পর্যন্ত আগ্রাসন চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আজ নিজেই নিজের পাতা ইসলামভীতি ও যুদ্ধবাজ নীতির ফাঁদে আটকা পড়েছে।

আফগানিস্তান থেকে ইরাক, লিবিয়া থেকে সিরিয়া এবং বর্তমানে ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত এক দীর্ঘ যুদ্ধ ও ইসলামভীতি ছড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই নিজের তৈরি করা ফাঁদে আটকে পড়েছে। ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার দুই দশক পার হলেও এর পেছনের প্রকৃত সত্য ও ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন প্রশ্ন উঠছে। সম্প্রতি মার্কিন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার টাকার কার্লসন বিখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের 'আনসেন্সরড নিউজ'-এ প্রকাশিত এক প্রামাণ্যচিত্র সিরিজে এই হামলার আড়ালের চাঞ্চল্যকর সত্য উন্মোচন করেছেন।

কার্লসনের মতে, ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা ৯/১১ হামলা সংঘটিত হওয়ার আগেই সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানত। ইসরাইলি নেতৃত্ব কখনোই ৯/১১ হামলা নিয়ে তাদের আসল মনোভাব লুকায়নি। বরং তারা মনে করত, এই রক্তক্ষয়ী হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ককে আরো গভীর ও কৌশলগতভাবে জোরদার করেছে। হামলার পরপরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে বলেছিলেন, 'এই ঘটনা আসলে খুবই ভালো। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সংঘাত ও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ইসরাইল কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে অস্তিত্বের লড়াই চালিয়ে আসছে।' নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে পার্ল হারবারে জাপানি হামলার সাথেও তুলনা করেছিলেন।

কার্লসনের অনুসন্ধানে বহুল আলোচিত ‘ইসরাইলি আর্ট স্টুডেন্টস’ ইস্যুটিও পুনরায় সামনে এসেছে। তিনি প্রকাশ করেন, হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত তথাকথিত ইসরাইলি শিল্পশিক্ষার্থীদের অনেকেই মূলত ইসরাইলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এফবিআই তাদের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদ করলেও অদ্ভুতভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন ছাড়াই ইসরাইলের চাপে তাদের মুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এফবিআই-এর নথিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, এই দলটির কয়েকজন সদস্য হামলার প্রত্যক্ষ দৃশ্য ভিডিও ধারণ করেছিলেন এবং তারা স্পষ্টতই হামলার বিষয়ে পূর্ব থেকেই অবগত ছিলেন।

প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের আড়াল করে এই হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সাধারণ মুসলিম ও আরব বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ওপর চরম জুলুম-নির্যাতন নেমে আসে। উগ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও মিডিয়া ভাস্কররা মুসলিমভীতি উসকে দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লোটে। আমেরিকার বহু মসজিদে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং নিরপরাধ মুসলিমদের ওপর ক্রমাগত হত্যার হুমকি নেমে আসে। ২০১১ সালে মার্কিন কংগ্রেসে প্রদত্ত ‘সাউদার্ন পোভার্টি ল সেন্টার’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র মুসলিম পরিচয়ের কারণে হাজার হাজার মানুষ শারীরিক আক্রমণ, মারধর ও বন্দুকের মুখের হুমকির শিকার হন।

মার্কিন প্রশাসনের এই বর্ণবাদী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর বলেন, ৯/১১ পরবর্তী বৈষম্যে সাধারণ মার্কিন মুসলিমরাও সমানভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। অথচ ফায়ার সার্ভিসকর্মীসহ বহু নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম সেদিন আমেরিকার নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর নিজস্ব পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ২০০০ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণাজনিত অপরাধ বা হ্যাট ক্রাইম রাতারাতি অবিশ্বাস্যভাবে ১৬১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ২০০০ সালে মুসলিমবিরোধী অপরাধের সংখ্যা যেখানে ছিল মাত্র ২৮টি, ২০০১ সালে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১টিতে—যা মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায়।

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরব আমেরিকান স্টাডিজ সেন্টারের পরিচালক স্যালি হাওয়েল এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় বলেন, নাইন-ইলেভেনের পর সন্ত্রাস মোকাবিলার দোহাই দিয়ে মূলত গণ-নজরদারি, রাষ্ট্রীয় হয়রানি এবং নিরপরাধ নাগরিকদের ফাঁদে ফেলার এক আইনি বৈধতা তৈরি করা হয়, যার মূল শিকার করা হয় মুসলিমদের।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনকালীন সময়েও কট্টরপন্থীদের মুসলিমবিরোধী প্রচারণার কারণে ঘৃণামূলক অপরাধ আবার বৃদ্ধি পায়। ২০০২ সালে এই অপরাধ কমে ১৫৫টিতে নামলেও, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ইসলামভীতি ব্যবহারের ফলে ২০১৫ সালে তা বেড়ে ২৫৭ এবং ২০১৬ সালে ৩০৭-এ পৌঁছায়। বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও উগ্র হিন্দুত্ববাদের মতো উগ্র মতাদর্শগুলো আজ এই আমেরিকান ‘ইসলামোফোবিয়া’ মডেলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের মানবাধিকার হরণ করে চলেছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ