শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

মক্কা মোকাররমা ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো 'পাপপূর্ণ হামলা' মোকাবেলায় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো গভীর করার অঙ্গীকার করেছেন সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির।

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক, মক্কা রক্ষায় যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক, মক্কা রক্ষায় যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী, সাধারণ বেসামরিক নাগরিক এবং দেশের কৌশলগত অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে সম্প্রতি চালানো অব্যাহত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রুখতে যৌথ সামরিক প্রচেষ্টা জোরদারের পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব ও পাকিস্তান। রিয়াদে পাকিস্তানের সামরিক প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসীম মুনিরের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-র আওতায় যৌথ নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলে বৈঠকে সম্মত হওয়া হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রার উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব এবং মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্র স্থান মক্কা মোকাররমার নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ জোরদার করেছে আঞ্চলিক মুসলিম শক্তিগুলো। রিয়াদে যৌথ বাহিনীর প্রধান (CDF) তথা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসীম মুনিরের সাথে বৈঠক করেছেন সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। বৈঠকে সম্প্রতি মক্কা নগরী ও সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোয় চালানো সশস্ত্র হামলা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়ে তা প্রতিহত করার সর্বসম্মত ঘোষণা দেওয়া হয়।

গত মাসে স্বাক্ষর হওয়া ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি—'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-র অধীনে সম্প্রতি রিয়াদে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের চিফ অব স্টাফদের জরুরি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ত্রিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ইতিবাচক অর্জনকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ এক বার্তায় প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বলেন, "আমি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের সাথে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় গঠিত দেশগুলোর সেনা প্রধানদের বৈঠকের অর্জনকে আমরা প্রশংসা করেছি। একই সাথে পবিত্র মক্কা নগরী এবং কিংডমের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পরিচালিত জঘন্য ও পাপপূর্ণ হামলার বিষয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।"

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, "মক্কা চুক্তির বিধান অনুযায়ী যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসব আগ্রাসন ও হামলা রুখতে আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।"

উচ্চপর্যায়ের এ প্রতিরক্ষা বৈঠকে সৌদি আরবের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাবিনেট সদস্য ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. মুসাদ বিন মোহাম্মদ আল-আইবান, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফায়াদ বিন হামেদ আল-রুয়াইলি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর গোয়েন্দা বিষয়ক উপদেষ্টা হিশাম বিন আব্দুল আজিজ বিন সাইফ।

ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

চলতি বছরের আগস্ট মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে এক যুগান্তকারী "কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি" (SMDA) স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট মক্কা মোকাররমায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এটি ত্রিপক্ষীয় 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-তে উন্নীত হয়। উক্ত চুক্তির মূল নীতি হলো—"তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর যেকোনো সামরিক বা বহিরাগত আগ্রাসন পুরো জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে"। এই আত্মরক্ষামূলক জোটের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো যৌথ সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

মক্কায় হামলার চেষ্টা ও মুসলিম উম্মাহর প্রতিক্রিয়া

ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মাধ্যমে সৌদি আরবের সীমান্ত অতিক্রম করে সাম্প্রতিক সময়ে চালানো ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে তীব্র করে তুলেছে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে পবিত্র মক্কা নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই একটি হুতি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করে সৌদি সামরিক বাহিনী।

ঐ ঘটনার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ জোট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, পবিত্র হারামাইন শরিফাইন (দুই পবিত্র মসজিদ) এবং বিশ্বজুড়ে আগত হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি "লাল রেখা" (Red Line)। এতে আঘাতের যেকোনো চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

এর আগে আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের ওপর চালানো দফায় দফায় হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। শুধু তা-ই নয়, সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়, যার ফলে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। গত জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক নৌসীমায় সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার দাবি করেছিল হুতিরা।

মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক সামরিক শক্তি পাকিস্তান ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক দেশ তুরস্কের সাথে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা জোট গঠনকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা স্বাবলম্বিতার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। পবিত্র মক্কার নিরাপত্তা রক্ষায় পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথাই বারবার তুলে ধরছে রিয়াদ ও ইসলামাবাদ।

বিষয় : পাকিস্তান সৌদি আরব

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আসিম মুনিরের বৈঠক, মক্কা রক্ষায় যৌথ প্রতিরক্ষা জোরদারের ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী, সাধারণ বেসামরিক নাগরিক এবং দেশের কৌশলগত অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে সম্প্রতি চালানো অব্যাহত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রুখতে যৌথ সামরিক প্রচেষ্টা জোরদারের পুনর্ব্যক্ত ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব ও পাকিস্তান। রিয়াদে পাকিস্তানের সামরিক প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসীম মুনিরের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-র আওতায় যৌথ নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলে বৈঠকে সম্মত হওয়া হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রার উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব এবং মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে পবিত্র স্থান মক্কা মোকাররমার নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ জোরদার করেছে আঞ্চলিক মুসলিম শক্তিগুলো। রিয়াদে যৌথ বাহিনীর প্রধান (CDF) তথা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ অসীম মুনিরের সাথে বৈঠক করেছেন সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। বৈঠকে সম্প্রতি মক্কা নগরী ও সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোয় চালানো সশস্ত্র হামলা কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়ে তা প্রতিহত করার সর্বসম্মত ঘোষণা দেওয়া হয়।

গত মাসে স্বাক্ষর হওয়া ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি—'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-র অধীনে সম্প্রতি রিয়াদে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের চিফ অব স্টাফদের জরুরি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ত্রিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ইতিবাচক অর্জনকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ এক বার্তায় প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বলেন, "আমি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের সাথে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় গঠিত দেশগুলোর সেনা প্রধানদের বৈঠকের অর্জনকে আমরা প্রশংসা করেছি। একই সাথে পবিত্র মক্কা নগরী এবং কিংডমের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পরিচালিত জঘন্য ও পাপপূর্ণ হামলার বিষয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।"

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, "মক্কা চুক্তির বিধান অনুযায়ী যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসব আগ্রাসন ও হামলা রুখতে আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।"

উচ্চপর্যায়ের এ প্রতিরক্ষা বৈঠকে সৌদি আরবের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যাবিনেট সদস্য ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. মুসাদ বিন মোহাম্মদ আল-আইবান, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফায়াদ বিন হামেদ আল-রুয়াইলি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর গোয়েন্দা বিষয়ক উপদেষ্টা হিশাম বিন আব্দুল আজিজ বিন সাইফ।

ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা

চলতি বছরের আগস্ট মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে এক যুগান্তকারী "কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি" (SMDA) স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট মক্কা মোকাররমায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এটি ত্রিপক্ষীয় 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' (MJDA)-তে উন্নীত হয়। উক্ত চুক্তির মূল নীতি হলো—"তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর যেকোনো সামরিক বা বহিরাগত আগ্রাসন পুরো জোটের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে"। এই আত্মরক্ষামূলক জোটের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো যৌথ সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

মক্কায় হামলার চেষ্টা ও মুসলিম উম্মাহর প্রতিক্রিয়া

ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মাধ্যমে সৌদি আরবের সীমান্ত অতিক্রম করে সাম্প্রতিক সময়ে চালানো ড্রোন হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে তীব্র করে তুলেছে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে পবিত্র মক্কা নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই একটি হুতি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করে সৌদি সামরিক বাহিনী।

ঐ ঘটনার পর সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ জোট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, পবিত্র হারামাইন শরিফাইন (দুই পবিত্র মসজিদ) এবং বিশ্বজুড়ে আগত হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি "লাল রেখা" (Red Line)। এতে আঘাতের যেকোনো চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

এর আগে আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের ওপর চালানো দফায় দফায় হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন। শুধু তা-ই নয়, সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হয়, যার ফলে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। গত জুলাইয়েও আন্তর্জাতিক নৌসীমায় সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার দাবি করেছিল হুতিরা।

মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক সামরিক শক্তি পাকিস্তান ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক দেশ তুরস্কের সাথে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা জোট গঠনকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মুসলিম দেশগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তা স্বাবলম্বিতার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। পবিত্র মক্কার নিরাপত্তা রক্ষায় পুরো মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথাই বারবার তুলে ধরছে রিয়াদ ও ইসলামাবাদ।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ