বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনার সুসান রাইলের বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এলএনজি আমদানি, কারিগরি শিক্ষা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

জ্বালানি, শিক্ষা ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

জ্বালানি, শিক্ষা ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: বঙ্গভবন

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন শিল্প খাতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের আহ্বান জানান। একই সাথে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির ভূরাজনৈতিক ও মানবিক ভূমিকা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল-সুসান রাইল বৈঠক: জ্বালানি, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা

জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপুল সহযোগিতা আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে আলোচনার বিস্তারিত অবহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি-র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর করেন। আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তার জন্য রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলের প্রতি গভীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক রূপরেখা:

বৈঠকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত সহযোগিতা কামনা করেন এবং দেশটির সঙ্গে বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এলএনজি (এলএনজি) আমদানির নতুন সুযোগ সৃষ্টির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির গতি বজায় রাখতে অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সমুদ্র ও স্থলভাগে জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক এবং ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক অ্যারেঞ্জমেন্ট’ (টিআইএফএ) বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

দক্ষ জনশক্তি ও উচ্চশিক্ষা খাতের নতুন দিগন্ত:

বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), প্রকৌশল এবং অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি স্কলারশিপ এবং একাডেমিক এক্সচেঞ্জ কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অবদান অব্যাহত রাখার প্রশংসা করেন এবং ঢাকায় ‘বিশ্ববিদ্যালয় অব ক্যানবেরা’-র একটি পূর্ণাঙ্গ বা স্যাটেলাইট ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এছাড়াও, বাংলাদেশের বিশাল কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীকে কর্মোপযোগী করতে অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা 'টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন' (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের 'কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' (টিটিসি)-গুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ আদান-প্রদানের প্রস্তাব দেন। বিশেষ করে বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন বিশেষায়িত কারিগরি বিদ্যায় যৌথ কর্মসূচির ওপর তিনি জোর দেন।

রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক অবস্থান:

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি এই মানবিক বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এই সংকটের একটি টেকসই, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানে অস্ট্রেলিয়ার জোরালো রাজনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতি তাগিদ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণ ও সংস্কারের প্রশংসা:

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীলকরণ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা এবং ব্যবসা-বান্ধব ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ বঙ্গভবন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশনার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


জ্বালানি, শিক্ষা ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন শিল্প খাতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের আহ্বান জানান। একই সাথে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির ভূরাজনৈতিক ও মানবিক ভূমিকা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল-সুসান রাইল বৈঠক: জ্বালানি, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা

জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপুল সহযোগিতা আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে আলোচনার বিস্তারিত অবহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি-র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র হস্তান্তর করেন। আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তার জন্য রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলের প্রতি গভীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক রূপরেখা:

বৈঠকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত সহযোগিতা কামনা করেন এবং দেশটির সঙ্গে বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এলএনজি (এলএনজি) আমদানির নতুন সুযোগ সৃষ্টির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির গতি বজায় রাখতে অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সমুদ্র ও স্থলভাগে জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস এবং ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক এবং ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক অ্যারেঞ্জমেন্ট’ (টিআইএফএ) বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

দক্ষ জনশক্তি ও উচ্চশিক্ষা খাতের নতুন দিগন্ত:

বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), প্রকৌশল এবং অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি স্কলারশিপ এবং একাডেমিক এক্সচেঞ্জ কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অবদান অব্যাহত রাখার প্রশংসা করেন এবং ঢাকায় ‘বিশ্ববিদ্যালয় অব ক্যানবেরা’-র একটি পূর্ণাঙ্গ বা স্যাটেলাইট ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এছাড়াও, বাংলাদেশের বিশাল কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীকে কর্মোপযোগী করতে অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা 'টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন' (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের 'কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' (টিটিসি)-গুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ আদান-প্রদানের প্রস্তাব দেন। বিশেষ করে বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন বিশেষায়িত কারিগরি বিদ্যায় যৌথ কর্মসূচির ওপর তিনি জোর দেন।

রোহিঙ্গা সংকট ও মানবিক অবস্থান:

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি এই মানবিক বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এই সংকটের একটি টেকসই, মর্যাদাপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানে অস্ট্রেলিয়ার জোরালো রাজনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতি তাগিদ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার পর্যবেক্ষণ ও সংস্কারের প্রশংসা:

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীলকরণ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা এবং ব্যবসা-বান্ধব ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ বঙ্গভবন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ