শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘের ব্যর্থতায় বিশ্ব এখন বিকল্প ন্যায়বিচারের পথ খুঁজছে

বিশ্ব খালি বিবৃতি নয়, ইসরায়েলকে থামানোর পদক্ষেপ চায়: অস্ট্রেলীয় গবেষক লানা তাতোর


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বিশ্ব খালি বিবৃতি নয়, ইসরায়েলকে থামানোর পদক্ষেপ চায়: অস্ট্রেলীয় গবেষক লানা তাতোর

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লানা তাতোর বলেছেন, গাজার গণহত্যা থামাতে এখন খালি বিবৃতি নয়, বরং বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও পশ্চিমা গণমাধ্যমের ব্যর্থতা ইসরায়েলের অপরাধকে উৎসাহিত করছে।

ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত “গাজা ট্রাইব্যুনাল”-এর সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করে অধ্যাপক লানা তাতোর বলেন, বিশ্ব আর ফাঁকা বুলি শুনতে চায় না—চায় কার্যকর ব্যবস্থা, যা ইসরায়েলকে গণহত্যা বন্ধে বাধ্য করবে।

এই প্রতীকী আন্তর্জাতিক আদালতটি ২০২৪ সালের নভেম্বরে লন্ডনে গঠিত হয় মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের উদ্যোগে। এর উদ্দেশ্য হলো গাজায় আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে ব্যর্থ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আদালতগুলোর সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করা এবং ইসরায়েলকে জনমতের আদালতে দায়ী করা।

তাতোর বলেন, “গাজা ট্রাইব্যুনাল” আসলে ন্যায়বিচারের বিকল্প অনুসন্ধান—যেখানে বিশ্বজুড়ে নাগরিক সমাজ একত্র হয়ে জাতিসংঘের ব্যর্থতার জবাব দিতে চায়।

তিনি পশ্চিমা গণমাধ্যমকে কঠোরভাবে সমালোচনা করে বলেন, “তারা ইসরায়েলি প্রচারণার পুনরাবৃত্তি করছে এবং সত্য বিকৃত করছে, যার ফলে বিশ্ববাসী বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং যুদ্ধাপরাধের নৈতিক দায় লঘু হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনায় কোনো সংহতি দেখায়নি—এটি এক ধরনের নৈতিক সহযোগিতা।

তাতোর জোর দিয়ে বলেন, “এখন কথায় নয়, কাজে দেখাতে হবে—ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকৃত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে, এমনকি জাতিসংঘে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করার কথাও বিবেচনা করা উচিত।”

নিজ দেশের সরকারকেও তিনি সমালোচনা করে বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার নীতিমালা জনগণের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করে না। অস্ট্রেলিয়ান জনগণ ফিলিস্তিনের ন্যায়বিচার চায়, কিন্তু তাদের সরকার বিপরীত পথে চলছে।”

জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত দুই বছরে ইসরায়েলের হামলায় ৬৮ হাজার ২৮০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি, এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

বিষয় : তুরস্ক ফিলিস্তিন

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


বিশ্ব খালি বিবৃতি নয়, ইসরায়েলকে থামানোর পদক্ষেপ চায়: অস্ট্রেলীয় গবেষক লানা তাতোর

প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লানা তাতোর বলেছেন, গাজার গণহত্যা থামাতে এখন খালি বিবৃতি নয়, বরং বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও পশ্চিমা গণমাধ্যমের ব্যর্থতা ইসরায়েলের অপরাধকে উৎসাহিত করছে।

ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত “গাজা ট্রাইব্যুনাল”-এর সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করে অধ্যাপক লানা তাতোর বলেন, বিশ্ব আর ফাঁকা বুলি শুনতে চায় না—চায় কার্যকর ব্যবস্থা, যা ইসরায়েলকে গণহত্যা বন্ধে বাধ্য করবে।

এই প্রতীকী আন্তর্জাতিক আদালতটি ২০২৪ সালের নভেম্বরে লন্ডনে গঠিত হয় মানবাধিকারকর্মী, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের উদ্যোগে। এর উদ্দেশ্য হলো গাজায় আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে ব্যর্থ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আদালতগুলোর সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করা এবং ইসরায়েলকে জনমতের আদালতে দায়ী করা।

তাতোর বলেন, “গাজা ট্রাইব্যুনাল” আসলে ন্যায়বিচারের বিকল্প অনুসন্ধান—যেখানে বিশ্বজুড়ে নাগরিক সমাজ একত্র হয়ে জাতিসংঘের ব্যর্থতার জবাব দিতে চায়।

তিনি পশ্চিমা গণমাধ্যমকে কঠোরভাবে সমালোচনা করে বলেন, “তারা ইসরায়েলি প্রচারণার পুনরাবৃত্তি করছে এবং সত্য বিকৃত করছে, যার ফলে বিশ্ববাসী বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং যুদ্ধাপরাধের নৈতিক দায় লঘু হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনায় কোনো সংহতি দেখায়নি—এটি এক ধরনের নৈতিক সহযোগিতা।

তাতোর জোর দিয়ে বলেন, “এখন কথায় নয়, কাজে দেখাতে হবে—ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রকৃত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে, এমনকি জাতিসংঘে তাদের সদস্যপদ স্থগিত করার কথাও বিবেচনা করা উচিত।”

নিজ দেশের সরকারকেও তিনি সমালোচনা করে বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার নীতিমালা জনগণের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করে না। অস্ট্রেলিয়ান জনগণ ফিলিস্তিনের ন্যায়বিচার চায়, কিন্তু তাদের সরকার বিপরীত পথে চলছে।”

জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত দুই বছরে ইসরায়েলের হামলায় ৬৮ হাজার ২৮০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি, এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ