শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

মায়েদের নরমাল ডেলিভারি উৎসাহিত করতে তৃণমূল পর্যায়ে ধাত্রী নিয়োগ; জেলা-উপজেলা হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

২৫ হাজার ধাত্রীসহ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬

২৫ হাজার ধাত্রীসহ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মায়েদের নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসবপ্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতেই মূলত এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই জনকল্যাণমুখী ঘোষণা দেন।

দেশের সাধারণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মানসম্মত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক মেগা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গ্রামীণ ও মফস্বল অঞ্চলের মায়েদের প্রসবকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা নিরুৎসাহিত করে 'নরমাল ডেলিভারি' বা স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার পেশাদার ধাত্রী বা মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করছে সরকার।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেশের এই ঐতিহ্যবাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ঢামেক ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজেরই সাবেক কৃতী শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের চিকিৎসা অবকাঠামো আমূল পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দেশের দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষ যাতে নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পান, সেটিই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষকে যেন সামান্য চিকিৎসার জন্যও ঢাকায় ছুটে আসতে না হয়, সেই ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। তিনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়মিত প্রান্তিক পর্যায়ে গিয়ে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে প্রসূতি মায়েদের জন্য নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং সিজারিয়ানের নামে বাণিজ্যিক শোষণ বন্ধে এই বিশাল ধাত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


২৫ হাজার ধাত্রীসহ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মায়েদের নরমাল ডেলিভারি বা স্বাভাবিক প্রসবপ্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতেই মূলত এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই জনকল্যাণমুখী ঘোষণা দেন।

দেশের সাধারণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মানসম্মত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক মেগা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গ্রামীণ ও মফস্বল অঞ্চলের মায়েদের প্রসবকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং সিজারিয়ান অপারেশনের প্রবণতা নিরুৎসাহিত করে 'নরমাল ডেলিভারি' বা স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার পেশাদার ধাত্রী বা মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করছে সরকার।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসালয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর গৌরবোজ্জ্বল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেশের এই ঐতিহ্যবাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ঢামেক ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজেরই সাবেক কৃতী শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের চিকিৎসা অবকাঠামো আমূল পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দেশের দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষ যাতে নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পান, সেটিই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষকে যেন সামান্য চিকিৎসার জন্যও ঢাকায় ছুটে আসতে না হয়, সেই ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে। তিনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নিয়মিত প্রান্তিক পর্যায়ে গিয়ে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে প্রসূতি মায়েদের জন্য নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং সিজারিয়ানের নামে বাণিজ্যিক শোষণ বন্ধে এই বিশাল ধাত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হতে পারে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ