শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রচারণা চালানোর অভিযোগে শোকজ; ‘অপসাংবাদিকতার’ শিকার হওয়ার দাবি প্রার্থীর

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে ইসিতে মামুনুল হকের লিখিত জবাব


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে ইসিতে মামুনুল হকের লিখিত জবাব

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে আনা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ইসি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে আজ তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে মাওলানা মামুনুল হক তার লিখিত জবাব জমা দেন। গত ১৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তাকে এই নোটিশ পাঠিয়েছিল। কমিশনের অভিযোগ ছিল, মামুনুল হক গত ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে নির্বাচন ভবন সংলগ্ন এলাকায় অনুসারীদের নিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ৩ ও ১৮ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো নিষিদ্ধ। ইসির মতে, ১৩ জানুয়ারির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সেই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ে। এই প্রেক্ষিতে কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১৭ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয়েছিল।

লিখিত জবাব প্রদানের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মামুনুল হক দাবি করেন, তিনি কোনো নির্বাচনী প্রচারণা চালাননি বরং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করছিলেন। তিনি বলেন, “আমাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে অপসাংবাদিকতা করা হয়েছে। আমি আমার নিজ নির্বাচনী এলাকার জন্য কোনো প্রচার-প্রচারণা চালাইনি। কমিশনকে জানিয়েছি যে, আমার কার্যক্রমকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মামুনুল হকের দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যাটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। কমিশনের আইনি শাখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বা জরিমানার মতো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।

বিষয় : মামুনুল হক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে ইসিতে মামুনুল হকের লিখিত জবাব

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে আনা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ইসি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে আজ তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে মাওলানা মামুনুল হক তার লিখিত জবাব জমা দেন। গত ১৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন তাকে এই নোটিশ পাঠিয়েছিল। কমিশনের অভিযোগ ছিল, মামুনুল হক গত ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৫টার দিকে নির্বাচন ভবন সংলগ্ন এলাকায় অনুসারীদের নিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ৩ ও ১৮ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো নিষিদ্ধ। ইসির মতে, ১৩ জানুয়ারির লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সেই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ে। এই প্রেক্ষিতে কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ১৭ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে জানাতে বলা হয়েছিল।

লিখিত জবাব প্রদানের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মামুনুল হক দাবি করেন, তিনি কোনো নির্বাচনী প্রচারণা চালাননি বরং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করছিলেন। তিনি বলেন, “আমাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে অপসাংবাদিকতা করা হয়েছে। আমি আমার নিজ নির্বাচনী এলাকার জন্য কোনো প্রচার-প্রচারণা চালাইনি। কমিশনকে জানিয়েছি যে, আমার কার্যক্রমকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।”

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মামুনুল হকের দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যাটি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। কমিশনের আইনি শাখা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার বক্তব্য যাচাই-বাছাই করে দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বা জরিমানার মতো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ