বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট সব আসামিকে দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ সরকারের এই সুস্পষ্ট অবস্থানের কথা জানান। একই সাথে তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, দেশে মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাসিবাদ বিস্তারকারীদের সামাজিক বয়কটের আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতক দেশের সব মানবতাবিরোধী অপরাধী ও আসামিদের অনতিবিলম্বে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছে সরকার। ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, শেখ হাসিনা একা নন, বরঞ্চ গণঅভ্যুত্থানের পর বিচার এড়াতে যারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনতে ফেরত চায় ঢাকা। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো সাধারণ বা স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। দেশ বর্তমানে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও রূপান্তরকালীন সময় পার করছে। এ অবস্থায় দেশের সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন থাকলে সরকার সব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং স্বৈরাচারের দোসরদের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কখনোই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবে না কিংবা তা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে না। তবে যারা পূর্বে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান ব্যবহার করে দেশে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে ইন্ধন দিয়েছে, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মানবাধিকার ও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকারের বিগত ৬ মাসের মেয়াদে দেশে কোনো জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেনি, যা বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্যতম হাতিয়ার ছিল। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে কৃষিকাজের জন্য সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোনো সার্বিক সংকট নেই। তবে কিছু জায়গায় বণ্টন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে, যা দ্রুত দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিষয় : শেখ হাসিনা গণঅভ্যুত্থান

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট সব আসামিকে দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ সরকারের এই সুস্পষ্ট অবস্থানের কথা জানান। একই সাথে তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, দেশে মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ফ্যাসিবাদ বিস্তারকারীদের সামাজিক বয়কটের আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতক দেশের সব মানবতাবিরোধী অপরাধী ও আসামিদের অনতিবিলম্বে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছে সরকার। ২৫ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন যে, শেখ হাসিনা একা নন, বরঞ্চ গণঅভ্যুত্থানের পর বিচার এড়াতে যারা বিদেশে পালিয়ে গেছেন, তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনতে ফেরত চায় ঢাকা। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো সাধারণ বা স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। দেশ বর্তমানে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও রূপান্তরকালীন সময় পার করছে। এ অবস্থায় দেশের সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন থাকলে সরকার সব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং স্বৈরাচারের দোসরদের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কখনোই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবে না কিংবা তা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবে না। তবে যারা পূর্বে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান ব্যবহার করে দেশে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে ইন্ধন দিয়েছে, তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মানবাধিকার ও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকারের বিগত ৬ মাসের মেয়াদে দেশে কোনো জোরপূর্বক গুমের ঘটনা ঘটেনি, যা বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্যতম হাতিয়ার ছিল। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে কৃষিকাজের জন্য সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোনো সার্বিক সংকট নেই। তবে কিছু জায়গায় বণ্টন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে, যা দ্রুত দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন