বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
কওমী টাইমস

জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচনসহ গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে গণমিছিল

স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ ও 'পিআর পদ্ধতি'র প্রস্তাব: ইসলামী আন্দোলনের


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৫

স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ ও 'পিআর পদ্ধতি'র প্রস্তাব: ইসলামী আন্দোলনের

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) অবিলম্বে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুসহ তাদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এই দাবিগুলো 'জনতার চাওয়া' পূরণ করবে এবং দেশে যেন আর কোনোদিন 'স্বৈরতন্ত্র' ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করবে। গত জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এসব দাবি নিয়ে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে দ্বিতীয় দফার যুগপৎ গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে তাদের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। এদিন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে গণমিছিল শুরুর আগে সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবির প্রতি উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, দেশের অসংখ্য রাজনৈতিক দল ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করলেও সরকার এখনো কোনো সুস্পষ্ট উদ্যোগ নেয়নি।

বক্তারা তাদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, তাদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যারা 'সন্তানদের হত্যা করেছে' এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করা। নেতারা 'জুলাইয়ের রক্তের চাহিদা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঐ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপের ব্যবস্থা করা। আর সেই লক্ষ্য পূরণের জন্যই তারা নির্বাচনী ব্যবস্থায় পিআর পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তাব করছেন, যাতে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে কোনো এক পক্ষের একক আধিপত্যের সুযোগ না থাকে।

আইএবি'র ৫ দফা দাবির মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান।
  • গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা।
  • জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
  • ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার নিশ্চিত করা।
  • বিচারকালীন সময়ে অভিযুক্তদের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

ঢাকায় বৃষ্টির কারণে আছরের নামাজের পর গণমিছিল শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, এবং উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাইসহ শীর্ষ নেতারা। দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবং মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ছিলেন প্রধান বক্তা। এই গণমিছিলের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন স্বৈরতন্ত্রের অবসানের দাবিতে রাজপথে তাদের চাপ অব্যাহত রাখার বার্তা দিল।

বিষয় : আইএবি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ ও 'পিআর পদ্ধতি'র প্রস্তাব: ইসলামী আন্দোলনের

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) অবিলম্বে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালুসহ তাদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, এই দাবিগুলো 'জনতার চাওয়া' পূরণ করবে এবং দেশে যেন আর কোনোদিন 'স্বৈরতন্ত্র' ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করবে। গত জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এসব দাবি নিয়ে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে দ্বিতীয় দফার যুগপৎ গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে তাদের চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। এদিন রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে গণমিছিল শুরুর আগে সমাবেশে বক্তারা সরকারের প্রতি তাদের দাবির প্রতি উদাসীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, দেশের অসংখ্য রাজনৈতিক দল ধারাবাহিকভাবে রাজপথে আন্দোলন করলেও সরকার এখনো কোনো সুস্পষ্ট উদ্যোগ নেয়নি।

বক্তারা তাদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, তাদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যারা 'সন্তানদের হত্যা করেছে' এবং হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করা। নেতারা 'জুলাইয়ের রক্তের চাহিদা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঐ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দেশ থেকে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপের ব্যবস্থা করা। আর সেই লক্ষ্য পূরণের জন্যই তারা নির্বাচনী ব্যবস্থায় পিআর পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তাব করছেন, যাতে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে কোনো এক পক্ষের একক আধিপত্যের সুযোগ না থাকে।

আইএবি'র ৫ দফা দাবির মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান।
  • গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা।
  • জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
  • ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচার নিশ্চিত করা।
  • বিচারকালীন সময়ে অভিযুক্তদের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

ঢাকায় বৃষ্টির কারণে আছরের নামাজের পর গণমিছিল শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই, এবং উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাইসহ শীর্ষ নেতারা। দলের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন এবং মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ছিলেন প্রধান বক্তা। এই গণমিছিলের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন স্বৈরতন্ত্রের অবসানের দাবিতে রাজপথে তাদের চাপ অব্যাহত রাখার বার্তা দিল।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ