রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
লগইন
বাংলা
English
हिन्दी
اردو
فارسی
العربية
Türkçe
রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
কওমী টাইমস

সুইডেনের স্টকহোমে পবিত্র কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় উগ্র ডানপন্থী কর্মী জেড স্যান্ডবার্গকে ঘৃণা অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তবে ইসলামবিদ্বেষী উসকানিমূলক বক্তব্যের একটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সুইডেনে পবিত্র কোরআন অবমাননা: ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে উগ্র ডানপন্থী জেড স্যান্ডবার্গের দণ্ড


কওমী টাইমস ডেস্ক
কওমী টাইমস ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

সুইডেনে পবিত্র কোরআন অবমাননা: ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে উগ্র ডানপন্থী জেড স্যান্ডবার্গের দণ্ড

স্টকহোম জেলা আদালত ২০২৪ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পবিত্র কুরআনুল কারীম পুড়িয়ে ফেলা এবং মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করার মামলাটির রায় ঘোষণা করেছেন। অভিযুক্ত ৫০ বছর বয়সী উগ্র ডানপন্থী কর্মী ও ইসলামবিদ্বেষী জেড স্যান্ডবার্গকে আদালত ঘৃণা অপরাধের (hate crime) দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

আদালতের রায়ে স্যান্ডবার্গকে স্থগিত কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাকে প্রতিদিন ১০০ ক্রোনা হিসেবে মোট ৩ হাজার ক্রোনা (প্রায় ২৭৫ ইউরো) আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের এই রায় অনুসারে, স্যান্ডবার্গকে অপরাধী সহায়তা তহবিলে ১ হাজার ক্রোনা এবং তার সরকারি আইনি সহায়তার খরচ বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১৭ হাজার ক্রোনা (প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইউরো) পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রায়ের অন্য একটি অংশে জানা যায়, ২০২৫ সালে স্টকহোম মসজিদের সামনে নিজের প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সময় "আমরা আমাদের রাস্তায় কোনো মুসলিম দেখতে চাই না" বলে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল স্যান্ডবার্গের বিরুদ্ধে। তবে এই নির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট। স্টকহোমের ওডেনপ্লান স্কোয়ারে উগ্র ডানপন্থী কর্মী জেড স্যান্ডবার্গ প্রকাশ্য রাজপথে পবিত্র কুরআন মজিদ পুড়িয়ে ফেলেন এবং পবিত্র গ্রন্থটিতে লাথি মেরে চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেন। এই জঘন্য উসকানি ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের পুরো দৃশ্যটি তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করেছিলেন। এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এবং মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে ইসলামোফোবিয়া ও উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর আস্ফালনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে। বাকস্বাধীনতার নামে পবিত্র ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত হানার এই প্রবণতা বিশ্বব্যাপী শান্তিপ্রিয় মানুষের মনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

বিষয় : সুইডেন ইসলামোফোবিয়া

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

কওমী টাইমস

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


সুইডেনে পবিত্র কোরআন অবমাননা: ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে উগ্র ডানপন্থী জেড স্যান্ডবার্গের দণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

স্টকহোম জেলা আদালত ২০২৪ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পবিত্র কুরআনুল কারীম পুড়িয়ে ফেলা এবং মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করার মামলাটির রায় ঘোষণা করেছেন। অভিযুক্ত ৫০ বছর বয়সী উগ্র ডানপন্থী কর্মী ও ইসলামবিদ্বেষী জেড স্যান্ডবার্গকে আদালত ঘৃণা অপরাধের (hate crime) দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে।

আদালতের রায়ে স্যান্ডবার্গকে স্থগিত কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাকে প্রতিদিন ১০০ ক্রোনা হিসেবে মোট ৩ হাজার ক্রোনা (প্রায় ২৭৫ ইউরো) আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের এই রায় অনুসারে, স্যান্ডবার্গকে অপরাধী সহায়তা তহবিলে ১ হাজার ক্রোনা এবং তার সরকারি আইনি সহায়তার খরচ বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১৭ হাজার ক্রোনা (প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইউরো) পরিশোধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রায়ের অন্য একটি অংশে জানা যায়, ২০২৫ সালে স্টকহোম মসজিদের সামনে নিজের প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সময় "আমরা আমাদের রাস্তায় কোনো মুসলিম দেখতে চাই না" বলে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল স্যান্ডবার্গের বিরুদ্ধে। তবে এই নির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট। স্টকহোমের ওডেনপ্লান স্কোয়ারে উগ্র ডানপন্থী কর্মী জেড স্যান্ডবার্গ প্রকাশ্য রাজপথে পবিত্র কুরআন মজিদ পুড়িয়ে ফেলেন এবং পবিত্র গ্রন্থটিতে লাথি মেরে চরম ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেন। এই জঘন্য উসকানি ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মকাণ্ডের পুরো দৃশ্যটি তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করেছিলেন। এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, যার দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করল।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এবং মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে ইসলামোফোবিয়া ও উগ্র ডানপন্থী দলগুলোর আস্ফালনের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে। বাকস্বাধীনতার নামে পবিত্র ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত হানার এই প্রবণতা বিশ্বব্যাপী শান্তিপ্রিয় মানুষের মনে গভীর ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।


কওমী টাইমস

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহমাদ আওয়াহ